আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় বিএনপি

0
173

সন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় বিএনপি।

সোমবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নতুন সংকট সৃষ্টির পরিবর্তে সরকারের উচিত বিদ্যমান সমস্যার সমাধানের উদ্দেশ্যে ইতিবাচক উদ্যোগ নেয়া। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান দেশের স্বার্থে একান্ত প্রয়োজনীয়।

তিনি বলেন, বিচারাধীন মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী ও সরকারি দলের ক্রমাগত বক্তব্য মামলার রায়কে প্রভাবিত করে। বেগম খালেদা জিয়ার মামলায় এমনটা হয়েছে এবং তার ফলাফল মামলার রায়ে প্রতিফলিত হয়েছে। যে দেশে তারেক রহমানকে নির্দোষ ঘোষানার পর বিচারিক আদালতের বিচারককে দেশত্যাগে বাধ্য হতে হয় এবং নিন্ম আদালতকে প্রশাসনের অধিনে রাখার সরকারি অপচেষ্টার বিরোধিতা করায় দেশের প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ ও দেশত্যাগে বাধ্য হতে হয় সে দেশে এটাই স্বাভাবিক।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ইন্টারপোল তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এই মামলা রেড এলার্ট জারি করে ছিলো। পরবর্তীতে ইন্টারপোলের প্রধান কার্যালয় প্রয়োজনীয় তদন্ত করে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে তারেক রহমানের কোনো সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পেয়ে গত ১৪(মার্চ) ২০১৬ তারিখে লিখিতভাবে সেই রেড এলার্ট প্রত্যাহার করে নেয়।

তিনি বলেন, রাজনীতিক অঙ্গন থেকে তারেক রহমানকে সরিয়ে দেওয়া আওয়ামী লীগের ইচ্ছাপূরণ হয়নি হবেও না। প্রকৃত পক্ষে বর্তমান সরকার গোটা বিষয়টিকে তাদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন ও দুর্বল করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তাই দলীয় একজন নেতাকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করে মামলার অন্যতম আসামীকে দিয়ে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করেছিল। কিন্তু সেই স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করে মুফতী হান্নান সরকারের ষড়যন্ত্র ফাস করে দিয়েছে। এখন সরকার বিচার বিভাগকে দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ইচ্ছা পূরণের অপচেষ্টা করছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং জাতীয় রাজনীতিতে এর বিষময় পরিণতি সম্পর্কে পুণরায় ভাবার জন্য সরকারকে পরার্মশ দিচ্ছি। অন্যায়ভাবে মিথ্যা অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দিয়ে সরকার জনগণকে ক্ষুব্ধ করছে। এ ধরনের ঘটনায় পুনরাবৃত্তি দেশে জনগণের মধ্যে দারুন ক্ষোভের সৃষ্টি করবে যা কারো জন্যই প্রত্যাশিত নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here