আ.লীগের ফাঁকা মাঠ, খেলেই জিততে চায় বিএনপি

0
151

রাজনীতির ক্ষমতার লড়াইয়ের ভাগ্য নির্ধারণের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। ১১৮ দিনেই ক্ষমতার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে রাজনৈতিক শক্তিগুলো। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, বিএনপি নির্বাচনে না এলে আমরা আগের মতই ফাঁকা মাঠে গোল দিবো। কিন্তু বিএনপি ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দিবে না, তারা আটঘাঁট বেধে নামছেন আন্দোলনে। আওয়ামী লীগও ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নামছে নির্বাচনী প্রচারণায়। রাজনীতির এই সময়ে আন্দোলন ও সমঝোতা দুটোই হতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, এখন প্রতিটি দিনই হবে ইন্টারেস্টিং।

আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি না এলেও নির্বাচন থেমে থাকবে না। তিনি বলেন, যেটি সারাবিশ্বে হয়, এই দেশেও তাই হবে। গণতন্ত্র আছে এমন দেশ মানেই নির্বাচন হবে। সংবিধান অনুযায়ী এই সরকারের আমলেই নির্বাচন হবে। আপনারা ফাইনাল খেলার দিন খেলবেন না আমরা তো গোল দেবই। ২০১৪ সালে আপনারা মাঠ ছেড়ে গেছেন। এবারো যদি না আসেন তবে ফাঁকা মাঠে গোল দেয়া হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই বলছি খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচনের আগে বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে। সবার দাবি উপেক্ষা করে সরকার যদি একতরফা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে তবে তা জনগণই প্রতিহত করবে। তাদের ভোটাধিকারের জন্য তারা সবকিছুই করবে। আর জনগণের দাবি কখনও উপেক্ষিত হয়নি। এবারও হবে না।

প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ প্রত্যাখ্যান করলেও সমঝোতার পথ খোলা রেখে দাবি আদায়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, দলের চেয়ারপারসনের মুক্তিসহ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা ও পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৈরি হচ্ছে কর্মপরিকল্পনা। এছাড়া একতরফাভাবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হলে বৃহত্তর ঐক্যের ব্যানারে সরকারবিরোধী দলগুলো নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়েও চলছে নানা তৎপরতা। এছাড়া পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করে মাঠে নামাতে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

জানা গেছে, অক্টোবরে রাজপথে নামার অংশ হিসেবে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি দলকে প্রস্তুত করছে। যেসব জেলায় কমিটি নেই তা দ্রæত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি গাজীপুর মহানগর বিএনপির কমিটি ঘোষণা করা হয়। যেসব কমিটি আংশিক তা দ্রæত পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে যেসব জেলা কমিটিতে বিরোধ রয়েছে তা এই মুহূর্তে পুনর্গঠন না করার চিন্তাভাবনা চলছে। বর্তমান কমিটিকেই সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here