উৎসে কর বাতিল চান পোশাক রপ্তানিকারকরা

0
185

ৎসে কর একেবারে বাতিল চান পোশাক রপ্তানিকারকরা। তাদের যুক্তি, পুরো রপ্তানিমূল্যের কর কাটা নীতিগতভাবে ঠিক নয়। তবে এ যুক্তি মানতে নারাজ অর্থনীতিবিদরা। কেননা কোন ব্যবসায়ী কত হারে মুনাফা করেন তার সঠিক হিসাব থাকে না, তাই তুলনামূলক সহজ পদ্ধতি হিসেবেই উৎসে কর আরোপ যুক্তিযুক্ত।  – ডিবিসি টেলিভিশন থেকে

একটি কনটেইনারে থাকা পোশাকের রপ্তানি মুল্য ১০০ টাকা। সেক্ষেত্রে, শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হারে, উৎসে কর বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে ৬০ পয়সা, যা এর আগে ছিলো ৭০ পয়সা। অর্থাৎ শতকরা ১০ পয়সা কমেছে উৎসে কর। কিন্তু তাতেও খুশি নন রপ্তানিকারকরা।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যেহেতু গার্মেন্টস খাতটা অনেক বড় খাত, তাই এখানে কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে এই খাতকে আরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এখান থেকে কোনো রকমের কর না থাকাই উচিত। আমরা যেভাবে ট্যাক্স হলিডে উপভোগ করতাম ঠিক যেভাবে আমাদের ট্যাক্স হলিডে উপভোগ করা উচিত। উৎসে কর বাতিল করে শুধুমাত্র কর্পোরেট কর বহাল থাকুক এটাই আমরা চাই।

কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠানে কত লাভ করছে, তার হিসাব পাওয়ার বিশ্বাসযোগ্য কোনো উৎস নেই। পোশাকের দরদাম ঠিক হয়, ক্রেতা আর রপ্তানিকারকের দ্বিপাক্ষিক দর কষাকষিতে। তাই লাভের ওপর কর আরোপ করার ধারণা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

সিপিডি গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এফওবি ভ্যালুর ওপরে যে না হবার বিষয়টি আসে, তাহলে তখন প্রক্রিয়াগত ভাবে বেশ কিছু জায়গায় পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে প্রত্যকটি পণ্যের ক্ষেত্রে তারা কি পরিমাণ মুনাফা করে সে সমস্ত তথ্য-উপাত্ত থাকা, সেগুলোর যৌক্তিকতা বিচার করা।

শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কর কমানোয়, পোশাক খাত থেকে উৎসে কর বাবদ রাজস্ব কমবে প্রায় ৩’শ কোটি টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here