করোনাকালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কমলেও প্লাজমা দিয়েছেন অনেকেই

0
42

 এ তথ্য সন্ধানী ব্লাড ব্যাংকের। করোনা আতঙ্কে এই সময়ে রক্তদান থেকে বিরত রয়েছেন অনেকেই। সরকারি ও বেসরকারি ব্লাড ব্যাংকে রক্তের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।সম্প্রতি ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে একটা প্রশ্ন অনেকের মনেই নতুন করে আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে রক্তদানের সময় কি করোনভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে? এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা আক্রান্তের ধমনি-শিরায় রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। ফলে শরীরে অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতির সৃষ্টি হয়। এছাড়া এক বা একাধিক শিরার গভীরে রক্ত জমাট বাঁধলে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (মেডিসিন) ড. শুদ্ধসত্ত্ব চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই সমস্যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়–পালমোনারি এম্বোলিজম। এ সমস্যা রোগীর মধ্যে কোনো উপসর্গ ছাড়াও দেখা দিতে পারে।

তবে রক্তদাতা সংগঠন ‘সন্ধানী’র একজন পরিচালক মোবারক মোল্লা জানান,করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পর অনেকেই করোনায় আক্রান্ত ভিন্ন রোগীকে প্লাজমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যাদের করোনা হয়েছিল এবং সেরে উঠেছেন তাদের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয় বা রক্তে প্রোটিন জাতীয় পদার্থ তৈরি হয়; যা ওই ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে।

স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান কার্যক্রমকে জাতীয়ভাবে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার লক্ষ্যে দেশে সোমবার ( ২ নভেম্বর) পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস।’ দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here