করোনা মানবদেহে সুপ্ত থাকলে শনাক্তের উপায় নেই

0
108

করোনাভাইরাস মানবদেহে সুপ্ত অবস্থায় থাকলে তা শনাক্ত করার উপায় নেই। থারমাল স্ক্যানার কেবল তাপমাত্রা নির্ণয় করতে পারে। এ কারণেই আরো সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এক্ষেত্রে বিদেশ ফেরতদের বৃহত্তর স্বার্থে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান তাদের। এছাড়া স্থানীয় সংক্রমণ দেখা দিলে করোনার ভয়াবহতা মোকাবিলায় চীনের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বলছে, করোনা নিয়ে সরকারি নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ করা হবে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা। চীনের উহান থেকে শুরু। সংক্রামিত শতাধিক দেশ, বাদ যায়নি বাংলাদেশও। এ পর্যন্ত আতঙ্কিত হবার মতো কিছু না হলেও ছড়িয়ে পরার শঙ্কা এখনো উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

করোনা ঠেকাতে ইউরোপ আমেরিকা থেকে বাংলাদেশ একমাত্র ভরসা ওই থারমাল স্কানার। তবে কোনো উপসর্গ ছাড়াই প্রায় ১৪ দিন ভাইরাসটি বেঁচে থাকতে পারে মানব দেহে। তাই এমন সুপ্ত অবস্থায় আক্রান্ত কেউ শরীরে কোভিড নাইনটির নিয়ে প্রবেশ করলে তা নির্ণয় করার কোনো উপায়ই নেই। তাইতো যে কোনো প্রবেশমুখে আরো সতর্কতার তাগিদ তাদের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করা দরকার। কেননা বিমানবন্দর ও স্থলবন্দর এবং নৌ-বন্দরে থার্মাল স্ক্যানার ও হাতে ধরা থার্মমিটার দিয়ে যে পরীক্ষা করানো হয়; সেটাই শতভাগ শনাক্ত করণ নয়। তবে সেটা একটা পরীক্ষা মাত্র। সেজন্য আমাদের যে পরামর্শ রয়েছে; সেটা মানতে হবে।


গত দু’সপ্তাহের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় করোনা কিছুটা বশে এনেছে চীন, সবশেষ বৃহস্পতিবার আক্রান্তের সংখ্যা নেমেছে এক অঙ্কের কোটায়। স্থানীয় সংক্রমণ দেখা দিলে চীনকে মডেল ভেবে কঠোর কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে মত তাদের।

মেডিসিন বিশেশজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন এবং স্যোসাল ডিস্টেন্স যদি কঠোরভাবে আরোপ করা যায়; তাহলে এটাকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। মানুষ সচেতন না হলে প্রয়োজনে সংক্রামক ব্যাধি আইন প্রয়োগ করার কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরো জানান, আমাদের নির্দেশ না মানা ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে দণ্ডনীয় অপরাধ। কোন ক্ষেত্রে সেটা তিন মাসের কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

তারা বলছেন, কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে থাকা রোগীর আশপাশের লোকজনকেই কেবল মাস্ক ব্যবহার করলে চলবে। তবে সবার ক্ষেত্রেই সাবান দিয়ে বার বার হাত ধোয়ার পরামর্শ তাদের। সূত্র: সময়টিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here