কোটালীপাড়ায় নিখিল হত্যার অভিযোগে পুলিশের এএসআই’সহ গ্রেপ্তার দু’জন

0
63

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার রামশীলে পুলিশ কতৃক নিখিল তালুকদার নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় দায়েরকৃত মামলায় পুলিশের এএসআই মো, শামীম ও তার সোস রেজাউলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কোটালীপাড়া থানার ওসি শেখ লুৎফার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন ,৭ জুন রোববার মধ্য রাতে নিহত নিখিলের ভাই মন্টু বাদী তালুকদার বাদী হয়ে এএসআই মো, শামীম হাসান ও কোটালীপাড়া পৌর এলাকার কয়খা গ্রামের রেজাউলকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, থানায় দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২ জুন মঙ্গলবার নিহত নিখিল এলাকার অন্যান্যদের সাথে নিয়ে কোটালীপাড়ার রামশীল বাজার এলাকায় তাস খেলছিলেন। কিছুক্ষণ পর কোটালীপাড়া থানা পুলিশের এএসআই শামিম ঘটনাস্থল থেকে একটু দুরে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খেলার দৃশ্য ভিডিও করেন। কোনো এক সময় নিখিলসহ অন্যারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে। ৩/৪ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নিখিল ধরা পড়ে যায় পুলিশের কাছে। এ সময় পুলিশের এএসআই মো, শামীম হাসান নিখিলকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। আহত নিখিলকে প্রথমে বরিশাল ও পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তির পর ৩ জুন বুধবার সে মারা যায়।

পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়ায় ঘটনার প্রকৃত কারণ খুজতে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার পদোন্নতি মো, আসলাম খাঁন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো, ছানোয়ার হোসেনসহ ৩ সদস্যর একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত টিমের তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার আগেই রোববার রাতে নিহত নিখিলের ভাই মন্টু তালুকদার বাদী হয়ে মো, শামীম হাসানসহ ২ জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করে।

অপরদিকে পুলিশের পক্ষ হতে বলা হয়েছে, গত ২ জুন মঙ্গলবার জুয়া খেলার গোপন সংবাদ পেয়ে কোটালীপাড়া থানা পুলিশের এএসআই শামিম ঘটনাস্থল থেকে একটু দুরে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জুয়া খেলার দৃশ্য ভিডিও করেন। কোনো এক সময় নিখিলসহ অন্যারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। ৩/৪ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নিখিল একটি গাছের সাথে থাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে আহত হয়। আহত নিখিলকে প্রথমে কোটালীপাড়া ও পরে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তির পর বুধবার সন্ধ্যার আগে সে মারা যায়। নিখিল তালুকদার (৩৬) রামশীল গ্রামের নিশিকান্ত তালুকদারের ছেলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here