গোলের জন্য ভাগ্যের দিকে চেয়ে আছে ফরোয়ার্ডরা

0
152

লাওসের বিপক্ষে গোলের একাধিক সুযোগ নষ্ট করেছেন ফরোয়ার্ডরা। ফিলিপাইনের বিরুদ্ধেও নাবীব নেওয়াজ জীবন, তৌহিদুল আলম সবুজরা সুযোগ কাজে লাগাতে হন ব্যর্থ। গত দুই ম্যাচে গোল না পাওয়ায় ফরোয়ার্ডরা আছেন দুশ্চিন্তায়। আশা, সেমিফাইনালে ভাগ্য একটু সহায় হবে তাদের। মিলবে কাক্সিক্ষত গোলের দেখা।

আগামী বুধবার বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপ থেকে নেপাল ও তাজিকিস্তানকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে ফিলিস্তিন। যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের কাছে হারলেও নেপালকে হারানোয় সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে তাজিকিস্তান।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সিলেট পর্ব শেষ হয়ে মঙ্গলবার শুরু হবে কক্সবাজারের সেমিফাইনাল পর্ব। প্রথম সেমিফাইনালে ফিলিপাইন লড়বে তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং দ্বিতীয় সেমিতে বাংলাদেশ মোকাবেলা করবে ফিলিস্তিনকে।

গ্রুপ পর্বে লাওসের বিরুদ্ধে বিপলুর একমাত্র গোলে জেতা বাংলাদেশ ফিলিপাইনের কাছে হারে ১-০ গোলে। দুই ম্যাচে গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করার হতাশায় ঘুমই ঠিকঠাক হয়নি জীবনের। সেমিফাইনালে তাই ভাগ্যকে একটু পাশে পাওয়ার আশা করছেন এই ফরোয়ার্ড।

আশাবাদ ব্যক্ত করতে যেয়ে জীবন বলেন ‘ফিলিপাইনের সঙ্গে ম্যাচে যে হেডটা করছিলাম, বিশ্বাস ছিল এটা নিশ্চিত গোল। দুইটা গোল মিস করেছি আমি। হোটেলে ফিরে ম্যাচের ভিডিও দেখেছি। ওটা দেখার পর রাতে ঘুমাতে পারিনি। খুবই খারাপ লাগছিল। কেননা, হেডে গোলটি করতে পারলে হয়ত দল ড্র করত।’

‘ব্যক্তিগতভাবে আমার মধ্যে জেদ কাজ করছে। আসলে খারাপ লাগার জায়গা হচ্ছে, চেষ্টার ত্রুটি রাখছি না কিন্তু গোলও পাচ্ছি না। আমার আশা সেমিফাইনালে যেন ভাগ্যকে একটু পাশে পাই এবং আমার গোলে যেন দল জেতে।’

ফিলিপাইনের সঙ্গে ম্যাচে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারা আরেক ফরোয়ার্ড তৌহিদুল আলম সবুজেরও চাওয়া সেমিফাইনালে যেন তারা ভাগ্যকে একটু পাশে পান। আর ফাইনালে যাওয়ার পথটা সহজ হয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here