গ্রেনেড হামলার আসামি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩ জন

0
168

ইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৩ জন আসামি হয়েছেন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। তাদের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে ২০১১ সালের তদন্তে । তারা হামলায় সরাসরি জড়িতদের নিরাপদে দেশত্যাগেও সহযোগিতা করেন। এছাড়া তদন্তকে ভিন্নপথে প্রবাহিত করেন সিআইডির তিন কর্মকর্তা।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। ২০১১ সালে দেয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহিম ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার হাওয়া ভবনের ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই মুফতি হান্নানসহ জঙ্গিদের হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন তারেক রহমান।

চারদলীয় জোট সরকারের সময়ের তিন আইজিপি আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদাবক্স চৌধুরীর বিরুদ্ধে কর্তব্য কাজে অবহেলা, ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করা, মামলার সুষ্ঠু তদন্তে সাহায্য না করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

এছাড়া, ঢাকা দক্ষিণে পুলিশের ডিসি খান সাইদ হাসান, ডিসি পূর্ব ওবায়দুর রহমান খান হামলার পর আসামিদের ঘটনাস্থল ত্যাগে সাহায্য করেন। এ দুই আসামি এখন পলাতক।

বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনকে বাদল নামে পাসপোর্ট দিয়ে দেশত্যাগে সহযোগিতা করেন সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইএর সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোর্য়াদার এবং মেজর জেনারেল এটি এম আমিন উদ্দিন। তারা এখন পলাতক।

এছাড়া মামলার প্রথম দিকের তিন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তের গতি ভিন্ন দিকে নেয়ার চেষ্টা চালান। তারা হলেন এসপি রুহুল আমিন, আব্দুর রশীদ, মুন্সি আতিকুর রহমান। প্রকৃত আসামিদের আড়াল করতে জজ মিয়া নাটক সাজান তারা। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here