গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘিরে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
207

কুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে ঘিরে দেশে কোনো বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, দেশের জনগণ কোনো বিশৃঙ্খলা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না।

সোমবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) আয়োজনে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণে অভিজ্ঞতা শেয়ারিং ওয়ার্কশপ প্রোগ্রামে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি দেশের জনগণ এ মামলার রায়ের জন্য অধীর আগ্রহে রয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে জাতি একটি কলঙ্ক থেকে মুক্ত হবে। জাতির ললাট থেকে একটি কালো দাগ মুছে যাবে। ওই নৃশংস গ্রেনেড হামলার বিচার দেশের মানুষ দেখতে চায়।

অপর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি আগের আইনেও ছিল। প্রয়োগের বিষয়টিও বিস্তারিতভাবে আইনে লেখা রয়েছে। মাদক অভিযানের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কাউকে হয়রানির কোনো সুযোগ নেই। কাউকে অহেতুক হয়রানি করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশে মাদক তৈরি করি না। কিন্তু আমরা অ্যাফেক্টেড হচ্ছি। মাদক সমস্যার ভয়াবহতা বিবেচনায় এনে বহু কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। ডিএনসির জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজনে যা যা করা দরকার, তাই করছি। কোরিয়া আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ। তাদের কোয়িকা মাদকের আগ্রাসন থেকে রেহাই পেতে ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আমাদের অনেক সহযোগিতা করছে। ডিএনসির কাজ অনেক। আসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কাজ চলছে। ২৬৫টি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্র করে অধিদপ্তরের আওতায় আনা হয়েছে। দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ সরকারের একটি বড় সাফল্য। আমরা সবাই জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে মাদককে পুরোপুরি নির্মূল করব।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিএনসির মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিএনসি আরেক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে। ৩৭ কোটি টাকার প্রকল্পের মধ্যে ৩০ কোটি টাকা দিচ্ছে কোরিয়া সরকার। যেসব মেশিন দেওয়ার কথা ছিল, তার অধিকাংশই আমরা হাতে পেয়েছি। প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের সকল অফিসকে নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসব এবং আমরা অনলাইনে সেবা দিতে পারব। মামলা ব্যবস্থায় বিশেষ সফটওয়্যার ডেভেলপ করে আমাদের প্রসিকিউশনকে আরো শক্তিশালী করতে পারব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here