চট্টগ্রামে বিকট হর্ণ ও উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো বন্ধের দাবি

0
227

ট্টগ্রামে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে শব্দদূষণ। পরিবেশ অধিদফতরের জরিপ অনুযায়ী, বন্দরনগরীতে শব্দদূষণ সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। এতে বধিরতা, অবসাদ, হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। তবুও যানবাহনের বিকট হর্ন এবং উচ্চ শব্দে মাইক বাজানোর অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধে নেই কোনো উদ্যোগ।

সড়কের পাশেই বিভিন্ন জেনারেটরের বিকট শব্দ দূষণের শিকার পথচারীরা। তার সঙ্গে যানবাহনের শব্দ। বন্দরনগরীতে শব্দ দূষণ স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে নেই কার্যকর পদক্ষেপ। যানবাহন চালকরাও বেপরোয়া। ফলে, সড়কে চলাচল করা মানুষকে সইতে হচ্ছে এ অত্যাচার।পথচারীরা জানান, সারাদিনের কাজ শেষ করে আমরা যখন বাসায় যাই তখন আর মাথায় কোন কাজ করে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাণিজ্যিক, মিশ্র ও আবাসিক এলাকায় শব্দের সহনীয় মাত্রা যথাক্রমে ৭৫, ৬০, ৫০ ডেসিমেল। তবে জরিপ চালিয়ে চট্টগ্রামে এই তিন ক্যাটাগরির স্থানেই পাওয়া গেছে অনেক বেশি মাত্রা। চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, বাণিজ্যিক এলাকায় শব্দের মাত্রা ৮০ থেকে ৮৫ ডেসিমেল। যা মাত্রা অতিরিক্ত।

শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে মানব শরীরে। বধিরতা, হৃদরোগসহ দীর্ঘস্থায়ী নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে ভুক্তভোগীরা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোস্তফা মাহফুজুল আনোয়ার বলেন, শব্দ দূষণের ফলে হৃদরোগ বেড়ে যায়। উচ্চ রক্ত চাপ, স্নায়ু অবসাদসহ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হয়। বর্তমানে শব্দ দূষণের ফলে হৃদরোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। সূত্র : যমুনা টিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here