চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কিনছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি

0
209

ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে অবশেষে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। চলতি বছরেই বন্দরে যুক্ত হচ্ছে ৬টি অত্যাধুনিক গ্যান্ট্রি ক্রেন। এর মধ্যে তিনটি বন্দরে এসে পৌঁছেছে। আগামী বছরের মাঝামাঝিতে আসবে আরো চারটি ক্রেন। তবে যন্ত্রপাতি কেনার পাশাপাশি ব্যাকআপ লিংকেজ হিসাবে জেটি এবং ইয়ার্ড বাড়ানোর কথা বলছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ড অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘দ্রুত জাহাজগুলো যদি খালাস করা যায় তাহলে আমদানী ও রপ্তানীকারকদের সময় ও ব্যয় অনেক কমে যাবে।’

চট্টগ্রাম বন্দর বার্থ অপারেটর অ্যসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের কন্টেইনারগুলো ৩-৪ হাই করে রাখি। এগুলো আরো উপরের দিকে বাড়ানোর জন্য ওই ধরনের যন্ত্রপাতি যদি আনা হয় তাহলে আমার ধারণা দুই থেকে তিন হাজার কন্টেইনার আমরা রাখতে পারবো। জটের সময় এটা আমাদের খুব বেশি কাজে লাগবে।’
দেশে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বাড়তে থাকায় জাহাজ কিংবা কন্টেইনার আসার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। সে সাথে বাড়ছে বন্দরের প্রবৃদ্ধি’ও। এ অবস্থায় বন্দরের প্রবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে শুরু করেছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ।
চট্টগ্রাম বন্দরে শুধুই যে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে তা নয় , নেই পর্যাপ্ত জেটি কিংবা কন্টেইনার রাখার ইয়াডর্ও। এ অবস্থায় জেটি ও ইয়ার্ড বাড়ানোর তাগিদ বন্দর ব্যবহারকারীদের।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘জেটি মাত্র রয়েছে ১৩টি। এখানে ৬০টি জেটির দরকার। তাহলে যে পণ্য আসবে তা ব্লক হয়ে থাকবে না।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যসোসিয়েশনের সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, ‘তিনটা গ্যান্ট্রি ক্রেন এবং আরো তিনটি আসছে। এটা অত্যন্ত সুখবর। তবে এটার পাশাপাশি কন্টেইনার রাখার ব্যবস্থা যদি রাখা না হয় তাহলে এই সক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর বছরে ২৮ লাখের বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করছে। সেই সাথে জাহাজ আসার পরিমাণ বেড়ে সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে। সূত্র: সময় টিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here