টাকার বিপরীতে দুর্বল হচ্ছে ভারতীয় রুপি

0
188

টাকার সঙ্গে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার প্রায় সমান পর্যায়ে নেমে এসেছে। অর্থাৎ রুপির তুলনায় ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে টাকা।

বর্তমানে ১ রুপির বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে এক টাকা ১৪ পয়সা। যা চলতি বছরের জানুয়ারিতেও ছিল এক টাকা ৩০ পয়সা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতো টাকার বিপরীতে রুপির দর এত কম দেখা যায়নি। ২০১৬ সালে ভারতে মোদি সরকারের নোট বাতিলের সময়ও রুপির দর ছিল এক টাকা ১৫ পয়সা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকা শক্তিশালী হলে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে তেমন প্রভাব না পড়লেও আমদানিকারকরা সামান্য লাভবান হবেন। এছাড়া ভ্রমণ ও চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে যাবেন তারাও লাভবান হবেন। কারণ রুপির বিপরীতে ডলারের পাশাপাশি এখন বাংলাদেশি টাকাও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এর ফলে ভারত থেকে যারা পণ্য আমদানি কর থাকে, তাদের কিছুটা সুবিধা হবে। তবে রপ্তানিকারকদের লোকসান হতে পারে।

গত অর্থবছর ভারত থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৮শ কোটি ডলারের বেশি পণ্য। বিপরীতে রপ্তানি করা হয়েছে ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের পণ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে এক রুপির দর ছিল এক টাকা ২৮ পয়সা। এরপর থেকে দর সামান্য বাড়া-কমার মধ্যেই ছিল। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটু বেড়ে এক রুপির দর দাঁড়ায় এক টাকা ৩০ পয়সায়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে দর কমে গত রোববার এক রুপির দর দাঁড়ায় এক টাকা ১৪ পয়সায়।

তবে গত বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) ভারতীয় রুপির মান বাংলাদেশি মুদ্রায় রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। ওই দিন বাংলাদেশি ১১৩ টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে ভারতীয় ১০০ রুপি। অর্থাৎ, ১০০ টাকায় মিলেছে ৮৯ রুপি। এক রুপির দর নেমে এসেছিল এক টাকা ১৩ পয়সায়। বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে রুপির এটি সর্বনিম্ন অবস্থান।

ইন্টারনেট মানি এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, ডলারের বিপরীতে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশের মুদ্রা বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here