টিভিতে লাইভ সম্প্রচারের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন, ভিডিও ভাইরাল

0
217

টেলিভিশনের পর্দায় তখন চলছিল ‘গুড মর্নিং জে অ্যান্ড কে’। সকালের লাইভ ‘টক শো’। কথোপকথনের আসরে রাজ্যের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী রীতা যতীন্দ্র।পরনে নীল সালোয়ার-কামিজ। সঞ্চালকের প্রশ্নের জবাবে ধীরে ধীরে কথা বলছিলেন রীতা।

হঠাৎই তাঁর দু’চোখ কুঁচকে গেল। ডান পাশে হেলে গেল মাথাটা। ডান হাতটাও খানিকটা নড়ে উঠে কোলের উপর পড়ে গেল।এর পর মাথাটা খানিকটা টলতে টলতে একেবারে স্থির হয়ে পড়ল। ভারী চশমার ফাঁক দিয়ে দেখা গেল,চোখদুটো খোলা। ঠোঁট দুটো উপরের দিকে হাঁ হয়ে খোলা। ওই অবস্থাতেই একেবারে অসাড় হয়ে পড়ল দেহটা। অচেতন রীতাকে দেখে তখন কার্যত হতভম্ভ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না!

এর পরেই ৫৫ সেকেন্ডের ভিডিয়োটিতে আচমকাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। গোটা ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর টেলিভিশন। সেই ভিডিয়ো এ মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

দেখুন ভিডিও

শ্রীনগরে দূরদর্শনের স্টুডিয়ো থেকে সঙ্গে সঙ্গে রীতাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকেরা জানান, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে রীতার। লাইভ সম্প্রচারে উপস্থিত দূরদর্শনের এক কর্মী বলেন, “অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় হার্ট অ্যাটাক হয় রীতার। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যাই আমরা। সেখানে বলা হয়, কিছু ক্ষণ আগেই মৃত্যু হয়েছে রীতার।”

ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক ওই টক শোয়ের সঞ্চালক তথা লেখক জাহিদ মুখতার। পরে তিনি বলেন, “একেবারে হতভম্ভ হয়ে গিয়েছি। প্রথমটায় তো বুঝতেই পারছিলাম না, কী করব! দূরদর্শনের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে ওঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। দর্শকদের জানিয়ে দেওয়া হয়, রীতা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এর পর ওই লাইভ টক শো চলতে থাকে।” এ দিন দুপুরে হাসপাতাল থেকে রীতার দেহ জম্মুতে নিয়ে যাওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here