ঢাকাসহ ৩ জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৫

0
180

রাজধানীর রায়েরবাজারের, কক্সবাজারের উখিয়া ও পাবনায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৫ জন নিহত হয়েছেন। রায়েরবাজারের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে র‌্যাব-২ এর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত দলের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে নিহত দুই ডাকাত সদস্যের পরিচয় জানা যায়নি। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দু’পক্ষের গুলিবিনিময়ে ডাকাত দলের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় র‌্যাব-২ এর দুই সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, সকালে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ওই দুই ডাকাত সদস্যকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে কক্সবাজারের উখিয়ার মরিচ্যা বাজার চেকপোস্ট এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন-চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ডের মো. শাহ আলমের ছেলে আব্দুস সামাদ ও যশোর অভয়নগরেরর নাজমুল সরদারের ছেলে মো. আবু হানিফ। ঘটনাস্থল থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা, একটি ট্রাক, দুইটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ানশুটার গান, ৮ রাউন্ড গুলি ও ৮ রাউন্ড খালি খোসা জব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, মালবাহী ট্রাকে করে ইয়াবার বিশাল চালান আসছে এমন খবর পেয়ে মরিচ্যা চেকপোস্ট এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসায় র‌্যাব। র‌্যাবের তল্লাশি চৌকির কাছাকাছি আসামাত্র কক্সবাজারমুখী একটি মালবাহী ট্রাক থেকে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। আত্মরক্ষায় র‌্যাবও গুলি চালায়। ট্রাক থেকে গুলি চালানো বন্ধ হলে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ দু’টি মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি জানান, মরদেহ ও জব্দ করা অস্ত্র উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানার কৈজুরী গ্রামে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম কুরবান আলী (৩০)। তিনি আটঘরিয়া উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের কিয়াম উদ্দিনের ছেলে। কুরবান আলী চরমপন্থী সংগঠন নকশাল গ্রুপের নেতা বলে দাবি করেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here