তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান পরিকল্পনার দায়ে গুলেন ভাতিজার কারাদণ্ড

0
180

তুরস্কের স্বেচ্ছানির্বাসিত ধর্মীয়নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের ভাতিজা সালমান গুলেনকে সাড়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। ২০১৬ সালে তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাস-সংক্রান্ত মামলায় এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, একই অভিযোগের কারণে গুলেন নিজেও যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন। আল জাজিরা

মঙ্গলবার আনাদোলু এজেন্সি জানায়, একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হওয়ার কারণে সালমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে, সালমান আঙ্কারা আদালতকে জানান, জীবনে কেবল একবার চাচা ফেতুল্লাহ গুলেনের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন। মিথ্যা অভিযোগে তাকে হেনস্থা করার একমাত্র কারণ তার চাচার সঙ্গে তার সম্পর্ক। তাই নিজের বেকসুর খালাস দাবি করেন সালমান।

তুরস্ক ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই সংঘটিত সেনা অভ্যুত্থানের মূল ক্রীড়ানক হিসেবে গুলেন ও তার ‘এফইটিও’ আন্দোলনকে দায়ী করে আসছে। সে ঘটনায় আড়াইশ’রও বেশি মানুষের প্রাণহানি ও ২ হাজার জন আহত হয়েছিলো। গতমাসে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২ লাখ ১৮ হাজার জন কারাগারে বন্দি রয়েছেন। যদিও বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গুলেন।

এদিকে, তুরস্কের পক্ষ থেকে বলা হয়, আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের কাছে গুলেনকে ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তবে, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজ জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন বিষয়টি তিনি দেখবেন। এই প্রসঙ্গে কোনও প্রতিশ্রুতিই তিনি দেননি। কেননা, গুলেনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কোনও প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রকে এখনও তুরস্ক দেখাতে পারেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here