দূর্ভোগে সাধারণ মানুষ, বেকার কয়েক হাজার পরিবহন শ্রমিক

0
188

‘রুট পারমিট নেই, ঢাকার রাস্তায় কোনো লেগুনা চলতে দেয়া হবে না’ মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার এই ঘোষণার পর বুধবার রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে লেগুনা চলাচল হঠাৎ বন্ধ ছিল।

বুধবার সকাল থেকে ঢাকার অল্প কিছু রুট ছাড়া বেশিরভাগ রুটের লেগুনা স্ট্যান্ডে গিয়ে কোনো লেগুনা দেখা যায়নি। এতে সাধারন মানুষ পড়েন চরম দূর্ভোগে। মহানগরীর বেশকিছু রুটের একমাত্র বাহনই লেগুনা। রিকশায় চলাচল নিন্ম আয়ের মানুষের জন্য ব্যয়বহুল। এদিকে লেগুনা বন্ধ করে দেয়ায় রাজধানীর কয়েক হাজার লেগুনা পরিবহন শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।

বুধবার সকালে রাজধানীর সাতরাস্তা টু বাড্ডা, ফার্মগেট টু মহাখালী, গ্রীনরোড টু নিউমার্কেট, মিরপুর টু মহাখালী, ঝিগাতলা টু মিরপুর-১ রুটে কোনো লেগুনা চলাচল করতে দেখা যায়নি। তবে সকালে শেওড়াপাড়া থেকে ইব্রাহিমপুর-পুলপাড়ে (কচুক্ষেত) কয়েকটি লেগুনা চলতে দেখা গেছে। এগুলো নিয়মিত সড়কের ভেতরের গলি দিয়ে চলাচল করে। গুলিস্তান থেকে নবাবগঞ্জ সেকশন ও চকবাজার রুটে কিছু লেগুনা চলাচল করেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সকাল থেকে লেগুনা না থাকায় লেগুনার নিয়মিত যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন। ফার্মগেট থেকে নিউমার্কেট রুটের একাধিক যাত্রী বলেন, এ রুটে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। তবে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে সকলেই পুলিশের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

আমিনুল নামের এক যাত্রী জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন মিরপুরের দারুস সালাম থেকে মহাখালীতে যান লেগুনায়। আজ এই রুটে কোনো লেগুনা নেই। অফিস যেতে বিলম্ব হলেও প্রধান প্রধান সড়কে তাদের চলাচলের রুট পারমিট নেই, তাই তাদের চলতে না দেয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সাধুবাদ জানান।

গ্রীনরোড থেকে নিউমার্কেট রুটের লেগুনা পরিবহন শ্রমিক নেতা রানা বলেন, ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্যের পর রুট পারমিট ও অধিকাংশ চালকদের লাইসেন্স না থাকায় লেগুনা বন্ধ রাখা হয়েছে। এ রুটে ৭০টি লেগুনা চলতো। বন্ধ করে দেয়ায় প্রায় দুই শতাধিক পরিবহন শ্রমিক বেকার হয়ে গেল। এখন তারা কিভাবে সংসার চালাবে, বাসা ভাড়া দেবে। এদের বেশিরভাগই নিন্ম আয়ের মানুষ। তিনি এ বিষয়টা বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here