নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে আরো ৩ বছর প্রয়োজন

0
172

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালেও গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ। একদিকে পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্ভরতা, জ্বালানি সংকট আর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দক্ষতার অভাবে সম্ভব হচ্ছে না সক্ষমতার সবটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন। অন্যদিকে সঞ্চালন ও বিতরণ সীমাবদ্ধতায় ব্যাহত হচ্ছে টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে আরো ৩ বছর প্রয়োজন।

চলতি মাসেই ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মাইলফলক স্পর্শ করলো দেশ। তবে এই অর্জন উদযাপনে রাজধানীর হাতিরঝিলের এই আলোক উৎসবের বিপরীতে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ধ্যার পর প্রায়ই বিদ্যুতের অভাবে ঘর আলোকিত করতে হচ্ছে বিকল্প উপায়ে।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াট হলেও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত ক্যাপটিভ পাওয়ারের ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট থেকে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডের বাইরে। বাকি প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে জ্বালানি সংকটে উৎপাদন করা যাচ্ছে না ১৮০০ মেগাওয়াট। এছাড়া নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কারণেও বন্ধ থাকছে বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র।

ফলে উৎপাদন সক্ষমতা আর প্রকৃত উৎপাদনের মধ্যে থেকে যাচ্ছে বিস্তর ফারাক। ২০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার বিপরীতে দৈনিক সর্বোচ্চ গড়পড়তা উৎপাদন ১০ হাজার থেকে ১১ হাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে যাওয়ার আগে পদ্ধতিগত লোকসান হচ্ছে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

গত ৯ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে চারগুণেরও বেশি। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদাও। ফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ চ্যালেঞ্জ মোকাবলায় উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিয়কাতার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রকৌশলী খন্দকার সালেক সুফি বলেন, কোয়ালিটি পাওয়ার প্রয়োজন, এটা পেলে বিভিন্ন জায়গায় যে লোডশেডিং হয় তা হবে না।

– সময়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here