পাস করানো আইন ফেল করানো যায় : ড. কামাল হোসেন

0
154

সংসদে সদ্য পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘সংসদে পাস করানো আইন ফেল করানো যায়। যদি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অবিলম্বে প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমে বাধ্য করা হবে’।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অবশ্যই থাকবে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধু, শহীদের স্বপ্ন ছিল।

সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে এই সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ আবদাল আহম্মেদ, রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, শহীদুল ইসলাম, পারভীন সুলতানা ঝুমা, জাহিদুজ্জামান ফারুক ।

কালো কোট পড়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোকে ড. কামাল মোনাফেকি বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, কালো কোট পড়ে  যে সভ্য লোক দুর্নীতি ও করে আবার শ্রদ্ধাও জানায় তারা মোনাফেক । কোরআনে আছে কাফেরদের চাইতেও মোনাফেক খারাপ ।

শিশুদের আন্দোলনে পুলিশের পাশে সাদা পোশাক পড়া লাঠিয়াল কারা , জনগনকে লাঠিপেটা করেছে তারা কারা? এ কাজগুলো সংবিধান পরিপন্থী ।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি । এটা কোন দলের নয়। এটা দেশের আপমার জনগণের ঐক্য । রাস্তায় না নামলে সমস্যার সমাধান হবে না। রাস্তায় না নামলে সরকার মনে করে কিছু হবে না।

গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা না থাকলে দেশে গণতন্ত্র থাকে না। বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি অসভ্য আইন, এর চাইতে খারাপ কোন আইন আর হতে পারে না। বাংলাদেশকে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র করতে হলে গণমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিতে হবে। সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ মানে ফ্যাসিজম। এটাই এখন বাংলাদেশে চলছে।

ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয় সাধারণ মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here