প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে ডাক বিভাগের আধুনিকায়ন

0
210

দার অর্থনীতির এ সময়ে তথ্য প্রযুক্তি প্রতিনিয়তই নাগরিক নানা সেবা নিয়ে আসছে হাতের মুঠোয়। তথ্য ও প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে ব্যক্তিগত চিঠির আদান প্রদানের সংখ্যা হয় তো কমেছে। তবে দাপ্তরিক তথ্য আদান প্রদানে ই-মেইল জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও, রয়েছে চিঠির ব্যবহার। যার বেশির ভাগ এখনো আদান প্রদান হয় ডাকের মাধ্যমে। কিন্তু, যারা ডাক বিভাগের দ্বারস্থ হচ্ছেন, তারা কি সন্তুষ্ট? এ ব্যাপারে ডাক বিভাগের মহাপরিচালকের দাবি, আধুনিকায়নের মাধ্যমে সারা দেশেই ডাক বিভাগের সেবাকে দ্রুত করা হবে।

ইন্টারনেট কিংবা মোবাইল টেলিফোনে তাৎক্ষণিক যোগাযোগের এই যুগে ডাক বিভাগের গুরুত্ব যে অনেক কমে এসেছে তা বলাই বাহুল্য। তারপরও সামাজিক যোগাযোগ এবং ব্যবসা বাণিজ্যে ডাক ব্যবস্থা এখনও অপরিহার্য।

৯ অক্টোবর। প্রতি বছর এ দিনে ‌‌‌বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হয়। ইউরোপের ২২টি দেশের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ১৮৭৪ খ্রিস্টাব্দের এদিনে সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে গঠিত হয় ‘জেনারেল পোস্টাল ইউনিয়ন’। এর লক্ষ্য ছিল বিশ্বের প্রতিটি দেশের মধ্যে ডাক আদান-প্রদানকে অধিকতর সহজ ও সমৃদ্ধশালী করার মধ্য দিয়ে বিশ্বজনীন পারস্পরিক যোগাযোগকে সুসংহত করা।

কাগজের পাতায় ব্যক্তিগত আবেগ আর গুরুত্ব ভরা সময় অনেক আগেই হারিয়েছে চিঠি। এখন খামে করে আসে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য নিয়ে দাপ্তরিক চিঠি। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে বেড়েছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চিঠির সংখ্যা। এছাড়া, রয়েছে নানা ধরণের চাকরির জন্য আবেদনের চিঠিও।

পোস্ট অফিসে চিঠি পোস্ট করতে আসা একজন বলেন, ‘পোস্ট অফিস অনেক স্লো। ইমার্জেন্সি হলে আমরা কুরিয়ার করি। যেটা না হলেই নয় সেটার জন্য পোস্ট অফিসে আসি। ইন্টানেটের কারণে ব্যাক্তিগত চিঠি কমে গেছে। তবে অফিসিয়ালি বিষয়ে ডাক যোগে চিঠির পাঠানো হয়।

অবকাঠামোর উন্নয়ন ও সেবাকে আধুনিক করার পরামর্শ ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক আতিউর রহমানের। তিনি বলেন, ‘অবকাঠামো বাড়াতে হবে। মানব শক্তির বিভাজন করতে হবে। আর আয় বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়কে বিস্তৃত করতে হবে।’

প্রযুক্তির সাহায্যে দ্রুত দেশের সব এলাকায় এ সুবিধা ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ডাকের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘আধুনিক সফটওয়্যার আছে। তবে মেশিনগুলো এখনো আমরা আনতে পারি নাই। সেগুলো আনার পরিকল্পনা আমাদের আছে। এই চিঠিগুলো প্রসেস করার জন্য আমরা মেল প্রসেসিং সেন্টারই করছি আলাদা।’

ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী দাপ্তরিক চিঠির সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। এখনো জরুরি প্রয়োজনে কুরিয়ার সার্ভিসের উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। তারা জানাচ্ছেন, ডাক বিভাগের সেবা উন্নত হলে তারা সুলভ মূল্যে এখান থেকেই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। সূত্র : সময় টেলিভিশন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here