বউয়ের কথা শুনে সুখী শহীদ

0
215

মীরা রাজপুতের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে ২০১৫ সালে। ইতোমধ্যে দুই সন্তানের বাবা হয়েছেন তিনি। তবে এতদূর আসার পেছনে মিরার অবদান আছেন বলে স্বীকার করেছেন অভিনেতা। মিরার সঙ্গে ঝগড়া করে তিনি নাকি ১৫দিন পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। সম্প্রতি সে কথা বলেছেন অভিনেতা নিজেই। বলছি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শহীদ কাপুরের কথা।

সম্প্রতি তিনি নেহা ধুপিয়ার টক শো-তে গিয়ে পরিবারের অনেক গোপন বিষয় শেয়ার করেছেন। স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া নিয়ে বলেন, মীরার সঙ্গে ঝগড়া হলে আমি ভীষণ বিরক্ত হই। রাগের রেশ কাটতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়। কখনও কখনও তো ১৫দিন লাগে। তবে মাঝেমধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হওয়া ভালো। একে অপরের মতের অমিলের সঙ্গে বোঝাপড়ারও প্রয়োজন রয়েছে। সমস্যা তো হবেই। সেই থেকে বেরোতে জানতে হবে।

এছাড়া সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মুক্তি প্রতীক্ষিত তার সিনেমা ‘কবির সিং’ নিয়েও কথা বলেন তিনি।  শহীদ জানান তিনি লাভ ম্যারেজে বিশ্বাসী। এছাড়া বাচ্চারা বড় হলে এখনের মতো চরিত্রে অভিনয় করবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যদি বাচ্চাদের সামনে ড্রিঙ্ক করতাম আর এদিকে পর্দায় খুব ভালো মানুষের চরিত্র করতাম, সেটা কি ভালো হতো? আমার সন্তানরাও নিশ্চয়ই সেটা বুঝবে। আমি চাই পরিণত হয়ে আমার মিশা-জায়ান ‘উড়তা পাঞ্জাব’ দেখুক। সমাজের সমস্যাগুলোকে অ্যাড্রেস করা উচিত। লুকিয়ে রাখলে তা আরও বিশাল আকার নিতে পারে। আর সিনেমা তো আমাদের জীবনেরই আয়না। সব কিছু ভালো দেখালে দর্শক কী জানবে?

পরিবার নিয়ে শহীদ বলেন, আমি আর মীরা দু’জনেই কাজ করি। তবে মীরাই বাচ্চাদের বেশি সময় দেয়। আমি যখনই শহরে থাকি, বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাই। ওদের ন্যাপি বদলে দিই। মীরা অবশ্য এখনও ন্যাপি বদলাতে গাঁইগুঁই করে (হাসি)! ওদের গল্পের বই পড়াই, ঘুরতে নিয়ে যাই। এগুলো করতে ভালো লাগে। না করতে পারলে বরং গিল্ট ফিলিং হয়। বাচ্চাদের সঙ্গে স্পেশ্যাল কানেকশন হওয়াটা খুব জরুরি।

অভিনেতার বয়স ৩৮ হলেও এখনও তরুণ মনে হয়। বয়সের রহস্য নিয়ে সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বৌয়ের কথা শুনে চলি, শাকসবজি খাই আর কোনও নেশা নেই!  আরটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here