বন্দরে কাগজের বদলে বালু-মাটি, চাইনিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার দাবি মালিকপক্ষের

0
165

ডাবল এ ফোর’ কাগজ আমদানির জন্য এলসি করলেও পণ্য খালাসের সময় বালু ও মাটির বস্তা পায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রগ্রেস ইমপেক্স লিমিটেড। চাইনিজ প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানির নামে প্রতারণা করেছে বলে দাবি করছে মালিকপক্ষ।

গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার পরীক্ষায় বিষয়টি ধরা পড়লে বিষ্ময়ের শিকার হন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আকবর।

তিনি বলেন, ১৫ হাজার ৪৪০ ডলারের এলসি বিপরীতে চীন থেকে ২০ ফুট কনটেইনারে ১৯ হাজার ৬৫৬ কেজি ‘ডাবল এ ফোর’ কাগজ আসার কথা ছিলো। চালনাটি খাসালের দায়িত্বে ছিলো চট্টগ্রামের শেখ মুজিব রোডের সাজ ট্রেড ইন্টারন্যশনাল। কিন্তু দুপুরে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার (এনসিটি) টার্মিনালে কনটেইনারটির পরীক্ষা করে দেখা যায় কাগজের নামে বালু আর মাটি এসেছে। চায়না প্রতিষ্ঠানটি প্রতারণা করেছে আমাদের সাথে। শুধু এলসি নয় এই কাগজ আমদানির প্রেক্ষিতে কাস্টমসকে ৮লাখ টাকা দিয়েছি।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার উপ-কমিশনার মো. নূর উদ্দিন মিলন সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রগ্রেস ইমপেক্স লিমিটেড নামে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানের এলসির বিপরীতে চীন ‘ডাবল এ ফোর’ কাগজ আসার কথা কথা থাকলেও আমরা পরীক্ষা করে বালু ও মাটি পেয়েছি।

তিনি জানান, গত ২৬ আগস্ট চীনের তিয়েনজিংগ্যাং বন্দর থেকে ‘হ্যাপি বি’ নামের একটি জাহাজে কনটেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। চালানটির শুল্কায়ন মূল্য ছিল ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪১০ টাকা। এর ভিত্তিতে শুল্ক বাবদ ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭২ টাকা পরিশোধ করা হয় কাস্টমস হাউসের অনুকূলে।

তবে কেউ কেউ এটিকে অর্থ পাচারের নতুন কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে বলছেন, চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরে বিভিন্ন সময় মূল্যবান পণ্য আমদানির ঘোষণা দিয়ে ইট, পাথর, বালু বা মাটিভর্তি কনটেইনার আসার ঘটনা ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে খালি কনটেইনারও আসছে। এ ছাড়া বেশি কিংবা কম মূল্য দেখিয়ে (আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসিং) আমদানি-রফতানির ঘটনাও ঘটছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here