বাসহীন রাজধানী(ভিডিও)

0
286

সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে আজ রোববার সকাল থেকে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টার গণপরিবহন কর্মবিরতিতে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।আজ সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে গণপরিবহন না থাকায় বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষেরা। সকালবেলা যারা অফিসে যাওয়ার জন্য গণপরিবহনের অপেক্ষা করছিলেন তারা পায়ে হেটেই গন্তব্যে রওনা করেছেন। তবে অসময়ে আর্শীবাদ হয়েছে বিআরটিসি বাস। বিআরটিসি বাস স্বল্পসংখ্যক হলেও দ্বিতল বাস হওয়ার কারণে অনেক মানুষের বাসে জায়গা হয়েছে। তবে বিআরটিসি বাস একমাত্র অবলম্বন হওয়ার কারণে বাসগুলো ছিল মানুষে ঠাসা।বাসস্ট্যান্ডগুলোতে বাসের অপেক্ষায় অনেক মানুষ। গন্তব্যে পৌঁছাতে নিরুপায় হয়ে মালবহনকারী ভ্যানেও মানুষ যাওয়া আসা করছেন। আর এই সুযোগে ভ্যানের চালক মিরপুর থেকে ফার্মগেটের ভাড়া ১০০ টাকা চাচ্ছেন। মানুষও গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য সেই ভাড়ায় রাজি হচ্ছেন।মিরপুর ১০ থেকে ফার্মগেট যাবেন আমজাদ আলী। তিনি আরটিভি অনলাইনকে বলেন, রাস্তায় কোনও গণপরিবহন নেই। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। তাই ভ্যানেই  যাচ্ছি। তবে গণপরিবহনের দৌরাত্ম বেড়ে গিয়েছিল। সিটিং এর নামে তারা চিটিং চালচ্ছিল। তাদের নৈরাজ্য বেশি হয়ে গিয়েছিল। গণপরিবহন না থাকলেও বিকল্প যে যানবাহন রয়েছে। সেগুলো যদি রাস্তায় গণপরিবহন না থাকার সুযোগ না নেয় তাহলে মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা কমবে।   রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বাড্ডা, রামপুরা, পল্টন, ফার্মগেট, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া রাস্তায় কোনও গণপরিবহনের দেখা মিলছে না।রাস্তায় কিছু সিএনজি চালিত অটোরিকশা মিললেও তারা গন্তব্যে পৌঁছে দিতে দাবি করছেন কয়েকগুণ বেশি ভাড়া। লোকজনকে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তাদের অনেকেই কোনও যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন। এজন্য চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মস্থলগামী মানুষ ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় কথা হয় হাসিব নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি জানান রাজধানীর শ্যামলীতে তার অফিস। অফিসে যাওয়ার জন্য তিনি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। গণপরিবহন পাননি। সিএনজি চালক উত্তর বাড্ডা থেকে শ্যামলিতে যাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা চেয়েছেন। মাসের শেষে এতো টাকা নেই। তাই অফিসে যাওয়ার জন্য পিক আপ ভ্যান বেছে নিলাম। মাত্র একশত টাকায় শ্যামলী পৌঁছে গেলাম।রাজধানীতে মোবাইল ফোন ভিত্তিক অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে রাইড শেয়ারিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও, ভোগান্তিতে কোনও কাজে আসছে না। একাধিক যাত্রীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অ্যাপসে রাইড শেয়ারিং এর জন্য রিকোয়েস্ট পাঠানো হলেও তারা মোবাইলে কোনও রিকোয়েস্ট গ্রহণ করছেন না।তানভীর মোহাম্মদপুর থেকে তেজগাঁও যাবে। মোবাইল ফোনে পাঠাওয়ে রিকোয়েস্ট পাঠানো হলেও ধরছেনা। রাইড শেয়ারিং এর চালকেরা বাসস্ট্যান্ড বা যেখানে মানুষের ভিড় সেখানে থাকেন। তারা চুক্তিতে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা যাচ্ছেন। কারণ মোবাইলে তাদের টাকা কম আসে। আর চুক্তিতে তারা দরদাম করে বেশি নিতে পারে। আরটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here