বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নেই আমজাদ হোসেন

0
141

বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক। এ অবস্থায় তাকে বিদেশ নেওয়ার মতো সময় নেই। জানিয়েছেন ইমপালস হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ শহিদুল্লাহ সবুজ।

ডাঃ শহিদুল্লাহ সবুজ বলেন , আমজাদ হোসেনের এখন পর্যন্ত যে অবস্তা তাতে করে স্থানান্থর করা রিস্ক হয়ে যাবে। যেকোনও দেশে উন্নত চিকিৎসা করতে নিতে হলে সর্বনিম্ন হলেও পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগবে। এতে বড় ধরণের বিপদ ঘটতে পারে। এখন এই অবস্থায় তাকে আমরা ছাড়তে পারছি না। যদি সম্ভব হয় তাহলে আমরাই জানাবো।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে হাসপাতালে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক তার সেবা প্রদান করছি। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। তার কিডনির ফাংশন থ্রি পয়েন্ট টু ফাইভ, যেটা গতকাল ছিল টু। বর্তমানে তার প্রেসার আপডাউন হচ্ছে। যিনি যে ধরনের স্ট্রোক করেছেন, সেখান থেকে ভালো হতে দেখা যায় না। কিন্তু আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আল্লাহ সহায় হলে ঠিক হয়ে যাবেন।

গত রবিবার সকালে নিজ বাসভবনে আমজাদ হোসেন ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন থেকেই তিনি আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

আমজাদ হোসনে একাধারে অভিনেতা, পরিচালক হিসেবে খ্যাতি র্অজন করছেনে।তিনি ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্ত্রে অভিনয় দিয়ে সিনেমায় পা রাখেন। পরর্বতীতে চিত্রনাট্য রচনা ও পরচিালনায় মনোনিবেশ করেন।

তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুন নিয়ে খেলা’ (১৯৬৭)। পরে তিনি নয়নমনি (১৯৭৬), ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ’ভাত দে’ (১৯৮৪) সিনেমা নির্মান করে প্রশংসিত হন।

‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের  জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরচিালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার র্অজন করেন।সৃজনশীল র্কমকান্ডের  জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের  র্সবােচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষতি করে।

এছাড়া সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার ও ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here