বিভিন্ন কোম্পানির কাছে বিপিডিবি’র পাওনা ১০ হাজার কোটি টাকা

0
158

রকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির কাছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)’র পাওনা ১০ হাজার ২০৬ কোটি টাকা। চলতি বছর ৩০ জুন পর্যন্ত তৈরী করা বিপিডিবি’র আউটস্টান্ডিং সামারি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে এই বিপুল পরিমান অর্থ অনাদায়ী থাকায় লোকসানী এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের ভর্তুকিতে পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্রমতে, বিপিডিবি’র কাছে দেনাদার প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এক নস্বরে রয়েছে ডিপিডিসি। তাদের দেনার পরিমান ৩ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। এক সময়ের ডেসা পরবর্তীতে ডিপিডিসিতে রূপান্তরিত হয়। ডেসা আমলের বকেয়া মিলিয়ে বিপিডিবি’র কাছে এই কোম্পানির দেনা ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই পরিমান বিপিডিবি’র সব কোম্পানির কাছে পাওনা টাকার অর্ধেক। এই বিপুল পরিমান অর্থ বকেয়া থাকলেও ডিপিডিসি’র প্রদানের হার একেবারেই নগণ্য। গত জুন মাসে তারা বিপিডিবিকে প্রদান করেছে মাত্র ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

বিপিডিবি’র কাছে দেনাদার প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ২ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বা আরইবি। তাদের কাছে পাওনার পরিমান ২ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। আরইবি’র বকেয়া প্রদানের রেকর্ড খুব ভালো নয়। গত জুন মাসে তারা বিপিডিবিকে প্রদান করেছে মাত্র ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা। অবশ্য রাজধানী ঢাকার এক অংশে কর্মরত অপর বিদ্যুৎ কোম্পানি ডেসকোর অবস্থা বেশ ভালো। বিপিডিবি’র কাছে তাদের দেনা মাত্র ৩০৬ কোটি টাকা।

একই ভাবে সরকারি আধা সরকারি এবং বেসরকারি রেন্টাল পাওয়ার কোম্পানিগুলোর কাছে বিপিডিবি’র পাওনার পরিমান ১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বা ডব্লিউজেডপিজিসিএল-এর কাছে বিপিডিবি’র পাওনা ১৫২ কোটি টাকা। নর্থওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কাছে পাওনা ৬৫৭ কোটি টাকা। সব কোম্পানির কাছেই পাওনার তুলনায় বকেয়া আদায় মোটেই সন্তোষজনক নয়।

এ ব্যাপারে বিপিডিবি’র পরিচালক সাইফুল হাসান চৌধুরী আমাদের অর্থনীতিকে বলেন, বকেয়া আদায় আমাদের কাছে একটি বড় সমস্যা। তিনি বলেন, বকেয়া আদায় না হলেও আমরা কোনো কোম্পানিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারি না। আর এজন্য সরকারের ভর্তুকিতে আমাদের চলতে হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here