ব্যারিস্টার রফিকুল কারাগারে

0
168

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার এ আদেশ দেন।

ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান এ বিষয়ে এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে হাজির করে পুলিশ। এর পরে তাঁকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। বিকেল ৩টায় তাঁকে আদালতে তোলা হলে আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৬-এর বিচারক শেখ গোলাম মাহাবুব ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সেই টাকা দিতে ব্যর্থ হলে আরো তিন মাস অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ের সময় ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া হাজির না হওয়ায় তাঁর অনুপস্থিতিতে এ রায় দেওয়া হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গতকাল সন্ধ্যায় ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

নথি থেকে জানা যায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন-সংক্রান্ত অভিযোগ পায় দুদক।

২০০১ সালের ৭ এপ্রিল দুদক ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে।

কিন্তু ওই বছরের ১০ জুনের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হলেও তিনি তা না করায় ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর ওই বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। এর পরে বিচারক ছয়জনের সাক্ষ্য নিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here