ভোগান্তি বেড়েছে গণপরিবহনে

0
248

ণপরিবহনে শৃংঙ্খলা ফেরাতে ১৭টি নির্দেশনা দিয়েছিলো, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে আরও ভোগান্তীতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ করাসহ নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে পরিবহনের ফিটনেস ও লাইসেন্স, পরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্বল্প সময়ে বাস্তবায়নে ১৭টি নির্দেশনা দিয়েছিলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন বিষয়ক এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিলো গত ২০ আগস্ট এর মধ্যে ঢাকা শহরে চলমান সব গণপরিবহন, শহরে চলাকালে সব সময় দরজা বন্ধ রাখা এবং বাস স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠা-নামা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা নিশ্চিত করতে হবে।

এবিষয়ে বিআরটিএ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়। একই সময়ের মধ্যে গণপরিবহনে (বিশেষত বাসে) দৃশ্যমান দু’টি স্থানে চালক এবং হেলপারের ছবিসহ নাম, চালকের লাইসেন্স নম্বর, মোবাইল নম্বর প্রদর্শন নিশ্চিত করা।

কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, আগের মতই স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠা-নামা করছে। দৃশ্যমান দু’টি স্থানে চালক এবং হেলপারের ছবিসহ নাম, চালকের লাইসেন্স নম্বর, মোবাইল নম্বর প্রদর্শনের কথা থাকলেও বাস্তবায়নের অগ্রগতি নেই। দুই একটি গাড়ি গেটলক করে গেলেও এই সুযোগে সিটিং সার্ভিস বলে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করছে যাত্রীরা। এছাড়া কাছের যাত্রীদের গাড়িতে নিতে চায় না হেলপাররা।

মো. আলিম নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আমি গুলিস্থান থেকে গাবতলি ৭ নম্বর গাড়িতে ধানমন্ডি যাবো। কিন্তু হেলপার বলে এটি সিটিং সার্ভিস ডায়রেক্ট গাবতলি যাবে কোথাও থামানো হবেনা যেখানে যাবেন ৩০টাকা ভাড়া লাগবে। এদিকে গণ-পরিবহনগুলো গেটলক করে চলায় প্রায়ই গাড়ির জন্য আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের’।

এ বিষয় মনিরুল নামে এক যাত্রী বলেন, ‘আমি ধানমন্ডিতে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। প্রতিদিন রাতে ৩২ নম্বর থেকে ঠিকানা, সাভার পরিবহন, মৌমিতা, ধামরাই গুলিস্থানসহ বেশ কিছু গাড়িতে কল্যাণপুর বাসায় যাই। কিন্তু সরকার নতুন আইন করায় এবং ধানমন্ডিতে ট্রাফিক বক্স থাকার কারণে মামলার ভয়ে শুধু এখানে গেট লক করে। কিন্তু সামনে গিয়ে ঠিকই আবার যাত্রী তুলে। শত অনুরোধ করলেও গেট খুলতে চায় না। ফলে দীর্ঘ সময় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এর ফলে আমরা প্রচুর সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। আর গাড়ির ভাড়া দ্বিগুণ নেয় তারা’।

এবিষয়ে ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আকরাম হাসান বলেন, বিষয়টি আমরাও লক্ষ্য করেছি। মামলার ভয়ে তারা হয়ত এমনটি করছে। তবে কিছুদিনের মধ্যে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here