মসলার বাড়তি দাম, বেড়েছে সবজি-ডিমের দামও

0
310

বৃষ্টি আক্তারঃ  রাজধানীতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। চাল, ডিম, সবজি, মাছ, মাংস- সবই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন পণ্যভেদে বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মসলাজাতীয় পণ্যের দাম।

সরেজমিনে দেখা যায়, আদা ১০-২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, গত সপ্তাহে ৪৮ টাকা বিক্রি হওয়া পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা, রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১১০ টাকায়, অথচ গত সপ্তাহে এটি বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা থেকে ৯০ টাকার মধ্যে। প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি করতে দেখা যায় ১৮৫০ টাকা থেকে ১৯০০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারে প্রতিকেজি এলাচ ১৫৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে যা আগে বিক্রি হয়েছে ২১০ টাকায়। জিরা টার্কি ৪১০ ও ইন্ডিয়ান জিরা ৩১০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এর আগে টার্কি জিরা বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকায়, ইন্ডিয়ান জিরা বিক্রি হয়েছে ২৮০ টাকায়।

শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা ও ফকিরাপুল বাজারে কোনো সবজির দাম কমেনি, আগের বাড়তি দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারগুলোতে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা, ওল ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকের দামও কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা পর্যন্ত। লাউশাক প্রতি আঁটি ৪০ টাকা, লালশাক ১৫ টাকা, সবুজশাক ১৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা যায়।

ডিম ও চালের দামও বেড়েছে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১০৮ টাকা, হাঁস ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। মিনিকেট চাল খুচরা বাজারে ৬৫ টাকা কেজি, নাজিরশাইল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, স্বর্ণা ৫২ টাকা, আটাশ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছও।

সজিব নামে এক বিক্রেতা বলেন, এখন বর্ষার কারণে পাইকারি সবজির আমদানি কম। আমদানি কম হওয়ার কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে।

আয়েশা খাতুন নামে এক ক্রেতা বলেন, নানা অজুহাতে বিক্রেতারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here