মৃত্যুর চারদিন অতিবাহিত হলেও এখনো মরদেহ আনা সম্ভব হয়নি

0
169

সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের মরদেহ বর্তমানে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন আনুষ্ঠানিকতা চলছে। মৃত্যুর চারদিন অতিবাহিত হলেও এখনও দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না আমজাদ হোসেনের মরহেদ। এ বিষয়ে জানতে কথা হয় ব্যাংককে আমজাদ হোসেনের সঙ্গে থাকা তার ছেলে নির্মাতা ও অভিনেতা সোহেল আরমানের সাথে।

সোহেল আরমান জানান ‘ব্যাংককে রবিবার ছুটির দিন হওয়ার কারণে ফ্লাইটের বিষয়টা নিশ্চিত করতে পারিনি। বিদেশের হাসপাতালে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আগামী মঙ্গলবারের (১৮ ডিসেম্বর) মধ্যে যেকোনো দিন বাবার মরদেহ নিয়ে আমরা দেশে ফিরবো।

নির্মাতা সোহেল আরমান আরও জানান, আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার জন্য সব ধরনের চেষ্টাই করা হয়েছে। এগিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই, তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তিনি যদি এগিয়ে না আসতেন, হয়তো উন্নত চিকিৎসার জন্য বাবাকে নিয়ে ব্যাংকক পর্যন্ত আসা হতো না।

শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশবরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আমজাদ হোসেন অসুস্থ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুণী এই নির্মাতাকে গত ২৭ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে। সেখানে তিনি প্রখ্যাত নিউরোসার্জন টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

‘ভাত দে’, ‘নয়ন মনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, কালজয়ী ছবির কারিগর ছিলেন আমজাদ হোসেন।

গুণী এই নির্মাতা চলচ্চিত্রশিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ একাধিক রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

বরেণ্য এই নির্মাতার মৃত্যুতে শোকের মাতম ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষদের মধ্যে তার মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে। তিনদিনের শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here