যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ট্রাম্পের কাদা ছোড়াছুড়ি

0
282

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর আদেশ স্থগিত করা নিয়ে পরস্পরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধান বিচারক জন রবার্টস।

স্থানীয় সময় বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় দেশটির শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম সিএনএন।

গত ৯ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর ঘোষণাপত্রে সই করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ট্রাম্পের এই আদেশে প্রশাসনিক ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয় উল্লেখ করে মামলা করে বেশ কয়েকটি নাগরিক অধিকার সংস্থা।

গত সোমবার সানফ্রান্সিসকোর ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জজ জন টিগার প্রেসিডেন্টের আদেশটি স্থগিত করেন। রুলে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা থাকলেও তিনি কোনও একটি শর্ত আরোপ করার জন্য অভিবাসন আইন সংশোধন করতে পারেন না। কংগ্রেসও এটি স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছে।

এরপর বারাক ওবামার আমলে নিয়োগ পাওয়া এই বিচারককে ‘ওবামার বিচারক’ সমালোচনা করেন ট্রাম্প। এর জবাবে এক বিবৃতিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের মধ্যে কেউ ওবামার বিচারক বা ট্রাম্পের বিচারক, বুশের বিচারক বা ক্লিনটনের বিচারক নন। এসব নিবেদিত বিচারকদের কাছে যারা সমান অধিকারের দাবি নিয়ে হাজির হয়, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন তারা। এসব বিচারপতি স্বাধীন এবং তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

এর জবাবে ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় লেখেন, স্যরি প্রধান বিচারপতি জন রবার্ট, কিন্তু আপনাদের মধ্যে ‘ওবামার বিচারপতিরা’ আছেন। যারা আমাদের দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত, তাদের সঙ্গে অনেক মতপার্থক্য আছে এসব বিচারকদের। তারা সত্যিই ‘স্বাধীন বিচারপতি’ হয়ে থাকলে ভালো।

কিছুক্ষণ পরের টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, কিন্তু দয়া করে খোঁজ নিয়ে দেখুন যে তাদের কাছে সীমান্ত ও নিরাপত্তা বিরোধী কত মামলা হয়েছে। আমাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রয়োজন। এসব বিচারকের রুল আমাদের দেশকে অনিরাপদ করে তুলেছে। খুবই বিপজ্জনক ও অপরিণামদর্শী।  আরটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here