যে ৫ টি খাবার এড়িয়ে চললে শীতকালে কমবে ঠাণ্ডা , কাশি

0
42

গরমের তুলনায় শীত আরামদায়ক হলেও প্রতিবছর এ সময়ে বেশ কিছু বাড়তি রোগব্যাধি দেখা যায়। বাংলাদেশে শীত মৌসুম চলে এসেছে। ঢাকায় শীতভাব ততটা অনুভূত না হলেও, গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে এখন ঠান্ডা পরতে শুরু করেছে। আর সময়ের পরিবর্তনে ঠান্ডা,কাশি,জ্বর আমাদের লেগেই থাকে। তবে কিছু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করলে এই ঠান্ডা কাশি থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। সাময়িক সময়ের জন্য কয়েকটি খাবার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিলে শরীরকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

আবহাওয়ার পরিবর্তনের এই সময়ে পাঁচটি খাবার অবশ্যই বাদ দেওয়া উচিত।

অ্যাসপ্যারাগাস বেশিরভাগ বসন্তকালে ভালো হয়। শীতের দিকেও অ্যাসপ্যারাগাস পাওয়া যায় তবে এর স্বাদ ও পুষ্টি কম হয়। এজন্য শীতের সময়টাতে এই খাবার এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ক্যাফিনেটেড ড্রিংকস:

চা,কফি শীতকালে খুব আরামদায়ক পানীয় মনে হলেও এর ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। চা,কফি দুটোই মূত্রবর্ধক। এর ফলে শরীরে ডিহাইট্রেশন সৃষ্টি হয়। এটি আপনার গলায় শুষ্কতা বৃদ্ধি করে এবং নাকে সমস্যা তৈরি করে। এ থেকে পরবর্তীতে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

ভাজা খাবার:

যদিও শীতকাল সময়টা আমরা সবাই ভাজা মুখোরোচক খাবার খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করি তবে বেশি ভাজাপোড়া না খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে চিকিৎসক। ভাজা খাবার বেশি খেলে পেট খারাপের সম্ভাবনা থাকে। পরে এ থেকে ডায়রিয়া ও বদহজম হয়।

জাম:

ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি জাতীয় ফলগুলো না খেয়ে থাকা খুব কঠিন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শীতের সময় তাদের থেকে দূরে থাকাই ভাল। যেহেতু শীতের সময় জাম হয় না, তাই আপনি যে জামগুলো খুঁজে পাবেন তাতে পুষ্টির পরিমাণ কম।

দুগ্ধজাত খাবার:

চিকিৎসকরা বলছেন, আবহাওয়া বদলের সময়টাতে দুগ্ধজাত খাবার যেমন পনির, দই, ক্রিম বা এমনকি দুধ এড়ানো উচিত। শীতের সময় বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় যেকোনও দুগ্ধজাত এড়ানোই ভালো। দুগ্ধজাতীয় খাবার গ্রহণ শ্লেষ্মা বৃদ্ধি করতে পারে এবং লক্ষণগুলি আরও ঠাণ্ডা করে। এমনকি এটি বদহজম হতে পারে। সূত্র: হেলথ সটস, কালের কণ্ঠ অনলাইন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here