রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

0
143

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রক্তদান, মরণোত্তর চক্ষুদান, মানবচক্ষু সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও সংযোজনে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আজ এক বাণীতে এ আহবান জানান। আগামীকাল শুক্রবার জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্ত ও চক্ষুদান দিবস।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবারের ন্যায় এবারও দেশব্যাপী ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০১৮’ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, মানুষ মানুষের জন্য। তাই মানুষের প্রয়োজনে মানুষ সব সময় এগিয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক। জরুরি অস্ত্রোপচার, দুর্ঘটনা, অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে মানবদেহে রক্তের অভাব পূরণে বাংলাদেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন হয়। মানবদেহে রক্ত কয়েকমাস পর পর এমনিতেই নষ্ট হয়ে যায়, আবার নতুন রক্ত তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে একজন সুস্থ মানুষ নিয়মিত রক্তদান করলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না, বরং তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি।
রাষ্ট্রপতি বলেন,‘পাশাপাশি প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ কর্ণিয়াজনিত সমস্যার কারণে অন্ধত্ব বরণ করছে। কর্ণিয়াজনিত অন্ধত্বের ক্ষেত্রে মানবকর্ণিয়া প্রতিস্থাপন একমাত্র চিকিৎসা। তাই কর্ণিয়াজনিত অন্ধত্ব দূরীকরণে মরণোত্তর চক্ষুদানে সকলকে উৎসাহিত করতে হবে। মানব কল্যাণে সকলেই রক্ত ও মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসবে, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ইতিমধ্যে একটি জনপ্রিয় সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে সন্ধানীর মতো স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here