রোহিঙ্গা সংকটে চীনের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, আশাবাদী নন বিশ্লেষকরা

0
197

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের মধ্যস্থতায় বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী নন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দুদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণে তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা বন্ধেই কৌশলী অবস্থান নিয়েছে চীন। এছাড়া প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রেহিঙ্গাদের মানসিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। সময় টিভি ১০:০০

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রফেসর ড. জাকির হোসেন চৌধুরী বলেন, চীনের মধ্যস্ততায় ত্রিপক্ষীয় ওয়ার্কিং গ্রুপ কতোটা সফল হবে- তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তরিকতা নিয়ে যদি চায়না সম্পৃক্ত হয় এবং মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাহলে এ সমস্যার সমাধান হবে। রাষ্ট্র স্বার্থ, অর্থনৈতিক স্বার্থ- কৌশলগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে চায়না এ সমস্যার সমাধান করবে কিনা এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলামের মতে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সু-সম্পর্ক থাকায় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় তৃতীয় কোনো দেশ বা পক্ষ ভূমিকা রাখলে বেকায়দায় পড়তে পারে সেজন্য চীন মধ্যস্থতায় নেমেছে। অবশ্য ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানের পরিবর্তনেও নজর দেয়ার তাগিদ দেন এ নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

তিনি আরো বলেন, তাদের বোঝাতে হবে তোমাদের এলাকায় তোমরা যাও, তোমাদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি বিবেচনা করা হচ্ছে, তোমরা সেখানে তোমাদের বাড়িঘরে যেতে পারবে-এ কথাগুলো তাদের বলতে হবে এবং বাস্তবে রূপ দিতে হবে। না হলে কথার কথা হবে, অঘটন ঘটবে। আর তা না হলে এখানে টেররিজমের প্রসার ঘটবে।

নিজ দেশের বাহিনীর ওপর হামলার অজুহাতে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। আর এ হামলা থেকে বাঁচতে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এরমধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর অনুপ্রবেশ করে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here