শাহজাহানপুর ও কমলাপুর পশুর হাটে দাম চড়া, অভিযোগ ক্রেতাদের

0
237

গণমাধ্যম ডেস্ক: রাজধানীর অন্য সকল পশুর হাটের মত কমলাপুর টিটিপাড়া ও শাহজাহানপুর সবুজ সংঘের মাঠে পর্যাপ্ত পশুর সরবারাহ থাকলেও এখনও পুরোদমে বেচা-কেনা শুরু হয়নি। ক্রেতাদের অভিযোগ এই হাটে পশুর দাম অনেক চড়া।

রোববার দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর, শাহজাহানপুর পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, এখনও গরু আসছে। তবে বিক্রি তেমন শুরু হয়নি। সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী মূল হাট শুরু হয়েছে। ক্রেতারা এখন হাটে আসছেন, ঘুরছেন, পশু দেখছেন এবং দরদাম করছেন। কিন্তু ব্যাপারীদের দামের সঙ্গে পেরে উঠছেন না ক্রেতারা।

তাদের অভিযোগ, গত বছর যে গরু ৫০ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে এবার সে গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৮০ হাজার। এক লাখের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে দেড় লাখ টাকা। ফলে ক্রেতারা বাজার ঘুরেও গরু কিনতে পারছেন না।

তবে ব্যাপারীরা বলছেন অন্য কথা। খরচ বেশি, খাদ্য, ওষুধ, পরিবহন ও রাস্তার খরচ মিলে পশুর দাম বেশি পড়েছে।
শাজহানপুর পশুর হাটের ইজারাদার আব্দুর রশিদ জানান, এবছর বাজারে পর্যাপ্ত পশুর সর্বারাহ রয়েছে। দামও রয়েছে সহনীয় পর্যায়। তবে ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশী থাকায় দাম একটু চড়া।

রাজধানীর কমলাপুর পশুর হাটে ১৫টি গরু এনেছেন মেহেরপুরের আব্বাস আলী। তার সব গরু মাঝারি আকারের। প্রতিটি গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে লাখের উপরে।

আব্বাস আলী বলেন, এক মাস আগে গ্রামের হাট থেকে গরুগুলো কেনা হয়েছে। ঢাকায় নিয়ে আসা ও গরুর খাওয়া, আমাদের খাওয়া থাকাসহ সব মিলিয়ে প্রতিটি গরুর পিছনে গড়ে পাঁচ হাজার টাকা খরচ পড়েছে। ফলে কেনা দামের সঙ্গে আরও পাঁচ হাজার টাকা যুক্ত করলে এবং লাভ করতে হলে দামতো বেশি হবেই।

গরুর ব্যপারি এসাহাক মিয়া বলেন, হাট কমিটি খুব ভালো। আমাদের থাকা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা করেছে। পাশাপশি সরকারের পক্ষথেকে পশুর চিকিৎসার জন্য রয়েছে প্রানীসম্পদ মন্ত্রনালয়ের বিষেশ মেডিকেল টিম।

শাহজানপুর হাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ব্যাপারি, খামারি ও কৃষক যারাই এ হাটে গরু আনবে তাদের জন্য সব সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে। নিরাপত্তার জন্য সব সময় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ বক্সে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন আছে। পাশাপাশি ইজারাদারের নিজস্ব তত্যাবায়নে ১৫০ জনের একটি স্বেচ্ছসেবক টিম রয়েছে। তারা ৫০ জন কওে প্রতি ৮ ঘন্টা পর পর হাটের সার্বিক বিষয় নজর রাখছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যাপারিরা কত টাকায় পশু বিক্রি করবে আর ক্রেতা কত টাকা দিয়ে কিনবে তা তারাই বুঝবে। এ ব্যাপারে হাট কর্তৃপক্ষ কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। বিক্রেতারা দাম বেশি চাইলে ক্রেতা দরদাম করে কিনবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here