শিশু এবং কিশোর বয়সীদের কোভিড-১৯ এ সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি অর্ধেক: গবেষণা

0
37

চীন, জাপান, ইতালি, সিঙ্গাপুর, কানাডা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মহামারী কোভিড-১৯ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা বলছেন, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ২১ শতাংশের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এর ক্লিনিকাল লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে দেখেছে তারা। ৭০ বছর বা এর বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ৬৯ শতাংশ। মঙ্গলবার লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের এপিডিমিওলজিস্টদের ওই গবেষণার প্রতিবেদন প্রকাশ করে নেচার মেডিসিন জার্নাল। রোগের ঝুঁকি এবং বয়সের সঙ্গে এর সম্পর্ক বের করতে সংক্রমণ মডেল ব্যবহার করা হয়েছে এই গবেষণায়। সিএনএন

গবেষকরা বলছেন, সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা শিশু-কিশোরদের কোভিড-১৯ হওয়ার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কম এবং আক্রান্ত হলে তাদের অবস্থা কম গুরুতর হতে পারে। শিশুদের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকা নিয়ে সরাসরি প্রমাণের ক্ষেত্রে মিশ্র ফল পাওয়া গেছে। তবে এটি সত্য হলে সামগ্রিকভাবে বিশ্বে কম সংক্রমণ হতে পারে। যেসব দেশের জনসংখ্যার গড় বয়স কম, সেসব দেশে মাথাপিছু কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা কম হতে পারে।

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ ও এপিডিমিওলজির অধ্যাপক মার্ক উলহাউস বলেন, “গবেষকরা দেখতে পেরেছেন যে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সংক্রমণের ঝুঁকি কম এবং সংক্রমিত হলে লক্ষণগুলো দেখানোর সম্ভাবনাও কম। তবে তারা সংক্রমন ছড়ানোর ক্ষেত্রেও অন্যদের চেয়ে কম কিনা তা গবেষকরা নির্ধারণ করতে পারেননি। এর ফলে কোভিড-১৯ এর বিস্তারের ওপর স্কুল বন্ধের প্রভাবের সঠিক মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বিশ্বজুড়ে স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইউনেস্কো ধারণা করছে, প্রায় ১৯০টি দেশে স্কুল বন্ধ হওয়ার কারণে ১৫০ কোটির বেশি শিক্ষার্থী অর্থাৎ বিশ্বের ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঘরে আটকে আছে। এখন বিশ্বজুড়ে লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল হতে শুরু করার সাথে সাথে সরকার এবং বিশেষজ্ঞরা বোঝার চেষ্টা করছেন কীভাবে এবং কখন শিশুদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here