শিশু তুহিন হত্যায় বাবা-চাচার মৃত্যুদণ্ড

0
133

সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যা মামলায় তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা নাছির উদ্দিনকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই ঘটনায় অপর দুই চাচা মাওলানা আব্দুল মোছাব্বির ও জমসেদ আলীকে খালাস দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজজামান শিকদার।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাড়ে দশ টায় আসামীদের উপস্থিতিতে আদালত চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করে আসামীদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামীদের আদালতে নিয়ে আসে পুলিশ। প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে কেজাউড়া গ্রামের তাদের  প্রতিপক্ষ  ছালাতুলদের ফাঁসানোর জন্য ঘুম থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিমর্ম ভাবে হত্যা করে নিহত তুহিনের লাশ বাড়ির পাশে একটি কদম গাছে ঝুলিয়ে রাখে আসামীরা।

আসামীরা শিশু তুহিনের কান, পুরুষাঙ্গ কেটে পেটে প্রতিপক্ষের নাম লিখা দুটি চাকু ডুকিয়ে রাখে।  মামলায় দুই আসামী চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার আদালতে খুনের কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

এঘটনায় নিহত তুহিনের মা বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবু তাহের মোল্লা তদন্ত শেষে  বাবা চাচা ও ভাইসহ ৫ আসামীর বিরোদ্ধে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ মামলায় ২৭ জন স্বাক্ষী আদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।

এমামলার কিশোর আসামী শাহরিয়ারকে ১০ মার্চ শিশু আদালতের বিচারক মোঃ জাকির হোসেন ৮ বৎসরের আটকাদেশ প্রদান করেন। পূর্ব শত্রুতা ও মামলা মোকদ্দমার জের ধরে কেজাউড়া গ্রামের প্রতিপক্ষ ছালাতুল ও তুহিনের চাচা আব্দুল মচ্ছবিরদের সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে গ্রাম্য বিরোধ চলছিলো। এ কারণে প্রতিপক্ষকে ফাঁসতে তুহিনের বাবা চাচা ও ভাই তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। বাদী পক্ষের আইনজীবী পিপি শামছুন নাহার বেগম জানান, তুহিন হত্যা মামলা একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ প্রকাশ করছি। সূত্র: সময়টিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here