সেনাবাহিনীর দায়িত্ব সম্পর্কে ইসির বিবরণ দেয়া উচিত : এম সাখাওয়াত হোসেন

0
375

সামরিক বাহিনীর ওপর মানুষের অনেক আস্থা থাকে। তারা কোন দলের দিকে তাকিয়ে বা কারো মুখ দেখে কাজ করবে না। তাদের নিয়মে যা রয়েছে সেভাবেই কাজ করবে। এ জন্যে তাদের ওপর মানুষের আস্থাটা অনেক বেশি থাকে। নির্বাচনের প্রাক্কালে সেনাবাহিনী নামায় মানুষের মনে আশা-প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে ।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি চায় তাহলে নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সম্পর্কে বিবরণ দিতে পারে। সেখানে সেনাবাহিনীর কাজ সম্পর্কে বলা থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে সেটি দেওয়ার সময় আছে কী না আমার জানি না। তবে সেনাবাহিনীকে কী দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, কী করার কথা বলা হয়েছে, এবং সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে সেগুলো দেখার বিষয়।

জাতীয় ইংরেজি দৈনিক‘ডেইলি স্টারে’র বিশেষ আয়োজন নির্বাচন সংলাপ ২০১৮। বুধবার এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। উপস্থাপনায় ছিলেন দ্য ডেইলি স্টারের প্ল্যানিং এডিটর শাখাওয়াত লিটন।

এম সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, সামরিক বাহিনীর ওপর মানুষের অনেক আস্থা থাকে। তারা কোন দলের দিকে তাকিয়ে বা কারো মুখ দেখে কাজ করবে না। তাদের নিয়মে যা রয়েছে  সেভাবেই কাজ করবে। এ জন্যে তাদের ওপর মানুষের আস্থাটা অনেক বেশি থাকে। নির্বাচনের প্রাক্কালে সেনাবাহিনী নামায় মানুষের মনে আশা-প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে ।

তিনি বলেন, মানুষ এখন ভাবছে যে আর মারামারি হবে না। কিন্তু, সেনাবাহিনী রয়েছে এক জায়গায় আর মারামারি হলো আরেক জায়গায়। সামরিক বাহিনীর নিজস্ব একটা কমান্ডিং চ্যানেল রয়েছে। তারা সেই চ্যানেলের মাধ্যমে কাজ করে। কিন্তু, সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্যে।  যারা তাদেরকে ডেকেছে তারা কী চাচ্ছে তার ওপর সশস্ত্র বাহিনীকে নির্ভর করতে হবে। সেনাবাহিনী আক্রান্ত হওয়ার অবস্থা পড়েছে ঠিক তখন ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে তারা একজন কমিশনড অফিসারের নেতৃত্বে অ্যাকশনে যেতে পারে।  যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব  ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী  ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে তার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।ঠিক তখনি তিনি সেনাবাহিনী ডাকতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়া কোনো অ্যাকশনে তারা যেতে পারে না। অর্থাৎ, আটক বা সাময়িকভাবে গ্রেপ্তার করা বা হাজতে নেওয়া। এর কিছু করতে পারে না যতক্ষণ পর্যন্ত একজন ম্যাজিস্ট্রেট তাদেরকে নির্দেশ না দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here