সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে ২৩ ডিসেম্বর থেকে

0
157

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে মাঠে নামবে সশস্ত্র বাহিনী এবং নির্বাচনের দুইদিন পর পর্যন্ত মাঠে থাকবে। অর্থাৎ নির্বাচন উপলক্ষে মোট ১০ দিন মাঠে থাকবেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত এক সভায় এই তথ্য উঠে এসেছে। ইসির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র: সারাবাংলা

এ ব্যাপারে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ভোটের আগে ও পরে ১০ দিনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে মাঠে নামানোর বিষয়ে ইসির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তা চূড়ান্ত করা সামনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পর। সেই বৈঠকেই নির্বাচনে কত সংখ্যক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রয়োজন হবে, এবং কতদিনের জন্য মোতায়েন করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

মঙ্গলবার ইসিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত সভায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে ইসির কাছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বাজেট চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশই চেয়েছে ৪২৪ কোটি টাকা। এছাড়া আনসার ৪৪৩ কোটি টাকা, বার্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৭০ কোটি, কোস্ট গার্ড ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রাথমিকভাবে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দের পরিমাণ বাড়বে। তবে এই সভায় বৈঠকে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা হলে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। পরবর্তীতে আগামী ১৩ ডিসেম্বর এ নিয়ে বৈঠকে বসবে কমিশন। সেখানে বাজেট চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছিলেন, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট ছোট টিম মাঠে থাকবে। তিনি বলেন, ১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম পুলিশের সঙ্গে দেখা করবে। প্রতিটি জেলায় থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর এসব ছোট ছোট টিম। এসব টিমকে নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে পুলিশকে। তবে মঙ্গলবারের সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৫ ডিসেম্বরের পর সেনাবাহিনীর একাধিক টিম মাঠের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। এরপর ২৩ ডিসেম্বর থেকে তারা দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নামবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here