হায়েজ ও নেফাস অবস্থায় কুরআন পড়া যাবে?

0
316

সাম্প্রতিক সময়ে অনেকেই বলে থাকেন, ‘হায়েজ ও নেফাস (মাসিক ও সন্তান প্রসবের পর যে রক্ত বের হয়) অবস্থায় মহিলাদের জন্য কুরআন ধরা নিষিদ্ধ, কিন্তু পড়তে কোন সমস্যা নেই। হাদীসের মাঝে এমন কোন বক্তব্য আসেনি।’

তাদের এ বক্তব্যটি সঠিক নয়। হাদীসকে সামনে রেখেই ফুকাহায়ে কেরাম লিখেছেন, হায়েজ ও নেফাসগ্রস্থ মহিলা কুরআন তিলাওয়াত করতে পারবে না। এটি শুধু মাযহাবী মতামত নয়, হাদীসে বর্ণিত বিধান। হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূল সা. বলেছেন, ঋতুবতী মহিলা এবং গোসল ফরজ হওয়া ব্যক্তি কোরআন পড়বে না। {সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-১৩১, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-৯৯১, মুসনাদুর রাবী, হাদীস নং-১১, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-১০৯০, মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-৩৮২৩}

হযরত ইবরাহীম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, হায়েজ এবং গোসল ফরজ হওয়া ব্যক্তি আল্লাহর জিকির করতে পারবে, এবং তার নাম নিতে পারবে। {মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-১৩০৫, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-৯৮৯}

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. বলেছেন-মহিলারা হায়েজা অবস্থায় নামায পড়তে পারে না, এবং রোযাও রাখতে পারে না। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-২৯৮}

হায়েজ নিফাসওয়ালী মহিলার ক্ষেত্রে নামায পড়া নিষিদ্ধ, রোযা রাখা নিষিদ্ধ। কুরআন পড়া নিষিদ্ধ। গিলাফ ছাড়া কুরআন স্পর্শ করা নিষিদ্ধ। মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ। বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করা নিষিদ্ধ। {বাদায়েউস সানায়ে’-১/১৬৩}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here