হুমায়ূন আহমেদ ।। জানা অজানা .

0
494

হুমায়ূন আহমেদ সবসময় ফুল হাতা শার্ট পরে ঘুমুতে যেতেন।

ঘুমানোর পোশাক হিসেবে হুমায়ূনের পছন্দ ছিল নতুন শার্ট। নতুন শার্ট না থাকলে লন্ড্রি থেকে ইস্ত্রী করা পাটভাঙা শার্ট পরে ঘুমানো ছিল তার অভ্যাস।

হুমায়ূন আহমেদ সারাজীবনে মোট দুইটা গালি ব্যবহার করতেন। প্রথমটা হলো ফাজিল, দ্বিতীয়টি হলো ফাজিলের ফাজিল। মুদ্রাদোষ হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত বাক্যটি ছিল, “লজিক কী বলে?”

শাওনকে বিয়ে করার পর তিনি প্রথম জিন্স পরেন।

হুমায়ূন আহমেদ জোরে জোরে কবিতা আবৃত্তি করতে ভালোবাসতেন। আবৃত্তির ক্ষেত্রে তার প্রিয় কবিতা ছিল জীবনানন্দ দাশের ‘ক্যাম্পে’ এবং রবার্ট ফ্রস্টের ‘স্টপিং বাই উডস অন আ স্নোয়ি ইভনিং’।

শাওনকে বিয়ে করার পর তাকে বেশ অনেকদিন শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয়নি। গেট থেকে ফেরত পাঠানো হয়।

হুমায়ূন আহমেদ ও তার মায়ের একই দিনে একই হাসপাতালে বাইপাস সার্জারি হয়। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে প্রথমে হুমায়ুন আহমেদের সার্জারি হয়, তারপরে তার মায়ের।

নুহাশ এবং হুমায়ূন আহমেদের প্যান্টের সাইজ একই ছিল।

হুমায়ুন আহমেদ, নুহাশ ও নিষাদ একই পাঞ্জাবি পরে ঈদের নামাজ পড়তে যেত।

হুমায়ূন আহমেদ মনে করতেন ‘নন্দিত নরকে’ তার এক্সপেরিমেন্টাল কাজ। তার লেখা পিওর উপন্যাস ‘জোছনা ও জননীর গল্প’।

১০

মেট্রিক ও ইন্টারে বোর্ড স্ট্যান্ড করা ছাত্র হিসেবে তার কোন গর্ব বা অহংকার ছিল না। তিনি কখনো নামের পাশে ‘ডক্টর’ লিখতেন না।

তবে ব্যক্তিগত জীবনে হুমায়ূন আহমেদ নিজের সততা ও নিজের লেখার ক্ষমতা নিয়ে প্রচণ্ড অহংকারী ছিলেন।

১১

শীত গ্রীষ্ম সারাবছর তিনি গরম পানিতে গোসল করতেন।

১২

হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশকরা হিসাব করে বের করেছেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত এক একটা শব্দের বিক্রয়মূল্য পাঁচ হাজার পাঁচশ টাকা’।

১৩

কম্পোজ হওয়ার পর প্রতিটা পাণ্ডুলিপি তিনি নিজ হাতে কুচি কুচি করে ছিঁড়ে ফেলতেন।

১৪

লেট নাইনটিজের দিকে মুক্তি ক্লিনিকে হুমায়ূন আহমেদকে প্রচুর যেতে হয়েছে। ছিয়ানব্বই থেকে নিরানব্বইতে, প্রায়ই রোগিদের কাউন্সিলিং করতে তার যেতে হতো। লোকজন হিমু হয়ে গেছে, এমন লোকেদেরও ওই হাসপাতালে এনে ভর্তি করানো হইতো।

১৫

তার বাসায় কোন লকার ছিল না। কোন তালা-চাবি ছিল না। উনি বাসা কোনদিন লক করে ঘুমাননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here