হোটেল রেস্তোরার খাবারের মান নিয়ে নগরবাসী কতটা সচেতন?

0
195

প্রতিনিয়ত আমরা যারা বাইরে থাকি তাদের একমাত্র ভরসা হোটেল রেঁস্তোরা। কারণে বা অকারণে অনেকটা বাধ্য হয়ে নয় তো শখেরবশে আমরা এসব হোটেল রেঁস্তোরায় খাচ্ছি। খাদ্যের নামে হোটেল রেস্তোরায় কী খাচ্ছি আমরা? খাবারের মান যাচাই করে এই প্রশ্নের সংক্ষেপে কোনো উত্তর দেবার সুযোগ নেই ভোক্তার কাছে। নিরুপায় নগরবাসী দিনের পর দিন বাধ্য হচ্ছে এসব খাবার খেতে।

রাতে ঘুমানোর জায়গায় দিনে চলে রান্নার কাজ। শুধু তাই নয় গোসলও হয় সেখানে। ভেজা, স্যাঁতস্যাতে মেঝের চেহারা দেখে যে কারোরই খাওয়ার রুচি নষ্ট হতে বাধ্য। অস্বাস্থ্যকর আর নোংরা বললেও বুঝি কম বলা হবে।

হোটেল কর্মীরা বলেন, ‘আমরা সবাই এখানেই গোসল করি। কিন্তু আমাদের সবার আলাদা আলাদা বাসা আছে। কাপড় রাখার জায়গাও এখানে আছে। কিন্তু আমরা তা সেখানে রাখিনি।’

এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল থেকে নিউমার্কেটের দিকে যেতে হাতের বামে যেকটি হোটেল আছে সবগুলোরই একই দশা। ন্যুনতম পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বালাই নেই।

এক হোটেলের নারী কর্মীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’এখানকার হোটেলগুলো খুব নোংরা।’

কথায় বলে বাইরে ফিটফাট আর ভেতরে সদরঘাট। এ কথা শতভাগ মিলে যাবে হোটেল রেস্তোরার রান্না ঘরে এলে। সম্ভবত এ কারণে হোটেল রেস্তোরার একটি অঘোষিত নিয়ম হলো আপনি চাইলও হোটেল রেস্তোরার রান্না ঘরে ঢুকতে পারবেন না।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ যে শুধু হেসেলে তাই নয় যারা পরিবেশন করছেন তাদেরও নেই পরিচ্ছন্নতার বালাই। এসব জেনেবুঝেও নিরুপায় নগরবাসী। রাজধানীর ভেতরে কিংবা শহরতলী সর্বত্রই একই দশা।

বিএসএমএমইউর মেডিসিন বিভাগের ডিন ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলছেন, এসব খেয়ে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য, বাড়ছে দীর্ঘমেয়াদী জটিল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। কারণ অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের দীর্ঘমেয়াদী পীড়া হবে। এছাড়া এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। কিডনিতে ক্ষত, লিভারে সমস্যা, জন্ডিসের বি, সি ভাইরাস স্থায়ী হয়ে যায়। এগুলো আর ভালো হতে চায় না।’

এসব বন্ধে মাঝে মাঝে অভিযান চলে কিন্তু বদল হয় না অবস্থার। সূত্র: সময় টিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here