হোপের কাছেই হেরে গেলো বাংলাদেশ

0
250

ইনিংসের শুরুতে ধাক্কা, শেষ দিকেও ধাক্কা। মাঝখানে তিন ক্রিকেটারের তিন ফিফটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে বাংলাদেশ ২৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাড় করালেও সফরকারীদের টপকে যেতে খুব একটা কষ্ট হয়নি। ওপেনার শাই হোপ একাই ক্যারিবীয়ানদের নিয়ে গেলেন অনেক দূর। ১১৮ বলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক করে জয়ের পথ সুগম করে দেন। এরপর ১৪৪ বলে হার না মানা ১৪৬ রানের নান্দনিক ইনিংসের কাছেই বাংলাদেশ ম্যাচ হারলো ৪ উইকেটে। ফলে তিন ম্যাচ সিরিজে খেলা ১-১ সমতা চলছে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর সিলেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ভাগ্যের ফয়সালা হবে।

আজ মিরপুর স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামলে বিপদ যেনো বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপে বসে। ইনিংসের শুরুতে পায়ে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন দাস। এরপর ক্রিজে এসেই শূন্য ফেরেন ইমরুল কায়েস। এ অবস্থায় খাদের কিনার থেকে দলকে টেনে তুলেন তামিম ইকবাল আর মুশফিকুর ররহিম। দুজনই ফিফটি করে সেঞ্চুরি জুটির রেকর্ড গড়ে ফিরলে দলের হাল ধরেন সাকিব হাসান।

তাকে সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রিয়াদ ব্যক্তিগত ৩০ রানে ফিরলেও ফিফটি তুলে নেন সাকিব। এরপর কেউ জ্বলে উঠতে পারেননি। ইনিংসের শেষ দুই ওভার ছিলো টাইগারদের জন্য যাচ্ছে তাই। মাশরাফি-মিরাজ জুটি হতাশ করেছেন। তারা ইনিংসটাকে টেনে ২৭০ রানে নিতে পারলে হয়তো ম্যাচের ভাগ্য লাল-সবুজের অনুকুলে আসতো। শেষ পর্যন্ত তিন ফিফটিতেই ২৫৫ রানে ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে টাইগারদের।

তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ম্যাচ হারের জবাবটা বেশ ভালোভাবেই দিয়েছে। বাংলাদেশের পেসার আর স্পিন বোলারদের পিটিয়ে তুলোধুনো করে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ইনিংস শুরুর দ্বিতীয় ওভারেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম উইকেট পড়লেও হোপ আর ব্রাভোর ৬৫ রানের পার্টনারশীপ দলের ভিত গড়ে দেয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ক্যারিবীয়ানদের। হোপের সঙ্গে স্যামুয়েলসের ৬২ রানের পার্টনারশীপের পর হেটমেয়ার, পাওয়েল ও চেজ দ্রুত ফিরে গেলেও কেমো পলকে নিয়ে ৮১ রানের জুটি গড়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছান হোপ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here