হোসেনপুরের গরু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

0
43

 আসছে মুসলমানের পবিত্র আযহা ঈদ আর মাত্র ২৫ দিন বাকি থাকলেও মুখে হাসি নেই কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের হাজারো খামারি ও চাষীদের। চিন্তার ছাপ তাদের আঁকড়ে ধরেছে। ধার-দেনা করে সারা বছর গরু লালন পালন করে কোভিড এর প্রভাবে এসব গরু, ছাগল, মহিষ বিক্রি করায় এখন দায়।

এ উপজেলায় ছোট-বড় ১৬০০টি খামার ও চাষী মিলিয়ে ২০-২৫ হাজার গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া মোটাতাজা করেন কোরবানি হাটে বিক্রির জন্য। সারা বছর কষ্ট করে হলেও এসব পশু পালন করেন তারা।

বিগত কোরবানি ঈদগুলোতে ঈদের একমাস আগ থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপারীরা গ্রামে গ্রামে গরু কিনতে শুরু করেন। কিন্তু এবার ঈদ আসলেও গরু ক্রয় করার কোনো পার্টি নেই। দু একজন ব্যাপারী আসলেও এক লাখ টাকার গরু ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাম করছে।

উপজেলার পিতলগঞ্জ, নবুঢ়া ,হাজিপুর, চরপুমদি, হোসেনপুরসহ বড় বড় পশুর হাটগুলিতে তেমন সাড়া নেই।

উপজেলার জামাইল গ্রামের খামারি পল্টু মিয়া জানান, ভূষি, খৈল, সয়াবিন, ভুট্টাসহ গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গরু লালন পালনে এবার খরচও একটু বেশি হয়েছে। তারপর যদি বিক্রি না করতে না পারি তাহলে অনেক টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হব।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মান্নান জানান, এবছরের উপজেলায় চাহিদার তুলনায় গরুর সংখ্যা বেশি। গরুর দাম তুলনামূলকভাবে কম। তবে ঈদের কাছাকাছি সময়ে গরুর দাম বাড়বে বলে জানান তিনি। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here