২ বছরের সাজা নিয়ে নির্বাচন নয় হাইকোর্টের আদেশ আপিলে বহাল

0
183

২ বছরের সাজা হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না হাইকোর্টের এমন আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) বিচারিক আদালতে কারো দুই বছরের বেশি দণ্ড হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে রায় দেন হাইকোর্ট। সাজা স্থগিত চেয়ে বিএনপির ৫ নেতার আবেদন খারিজ করে এ রায় দেন আদালত। এই আদেশের ফলে বেগম খালেদা জিয়াসহ দণ্ডিতরা আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার অযোগ্য হয়ে গেলেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

দণ্ড স্থগিত না করেও শুধুমাত্র আপিল বিচারাধীন দেখিয়ে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন কিনা এ নিয়ে আইনি বিতর্ক চলছিলো। মঙ্গলবার( ২৭ নভেম্বর) সাজা স্থগিত চেয়ে বিএনপির ৫ নেতার আবেদন খারিজ করে দিয়ে এ অস্পষ্টতা দূর করলেন উচ্চ আদালত। আদালত আদেশে বলেছেন, দুই বছরের বেশি দণ্ড হলেই দণ্ডভোগের ৫ বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দণ্ডিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে আপিল বিভাগে দণ্ডের রায় স্থগিত হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই। সাজা স্থগিতের কোন বিধান আইনে নেই বলেও অভিমত দিয়েছেন উচ্চ আদালত। দুদকের আইনজীবী বলেন, দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনের সুযোগ পেলে তা হবে সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, ‘দুর্নীতির সাজা মাথায় নিয়ে সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ এবং ক্ষমতায় যাওয়াকে উচ্চ আদালত … করেছেন। সাজা মাথায় নিয়ে নির্বাচন করা সংবিধানের ৬৬ ধারার পরিপন্থী।’

এ রায়ের ফলে বেগম জিয়া নির্বাচনে অংশ নেয়ার অযোগ্য হয়ে গেলেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। নির্বাচন কমিশন এ আদেশ মানতে বাধ্য বলেও জানান তিনি।

এ সময় মাহবুবে আলম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আদালত বা যেকোন প্রতিষ্ঠান কি সংবিধান অগ্রাহ্য করতে পারবে! এটা সংবিধানের বিধান যে দুই বছর কারাদণ্ড হলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না।’

এদিকে, আদেশের ঘণ্টা খানেক পরই আদেশ স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছেন বিএনপির চিকিৎসক নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ। অন্য চার বিএনপি নেতাও আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী বলছেন, আপিল বিচারাধীন বা দণ্ড স্থগিত করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার নজির রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here