৬ লাখ কোটি ডলারের ‘পুঁজির মহাপ্রাচীর’ তৈরি করছে চীন

0
194

চীনের বাজারে ব্যবসা করা বেসরকারি এমএলএম কোম্পানি ও অনিবন্ধিত পুঁজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে রয়েছে প্রায় ৬ লাখ কোটি ডলারের স¤পদ। চীনা সরকারের পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এবার দেশটির নিবন্ধিত বাজারে প্রবেশ করতে বাধ্য হবে। এতে লাভবান হবে চীনের পুঁজিবাজারের বৃহৎ মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোম্পানিগুলো। ফলে, দেশটির পুঁজিবাজারে যুক্ত হতে চলেছে বাড়তি ৬ লাখ কোটি ডলার। পশ্চিমা অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা একে চীনের নতুন পুঁজির মহাপ্রাচীর নাম দিয়েছেন।
মার্কিন বার্তা সংস্থা সিএনবিসি জানায়, চীনে দ্রুতবর্ধনশীল সম্পদশালী শ্রেণির সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও, দেশটির জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জ্যেষ্ঠ নাগরিকে পরিণত হচ্ছেন।
এমতাবস্থায়, তাদের মাঝে সঞ্চয় প্রবণতা বাড়ছে। এতদিন এই সুযোগে চুটিয়ে ব্যবসা করে আসছিল এমএলএম কো¤পানিগুলো। এমনকি এদের প্রতারণারও শিকার হয়েছেন অনেক চীনা নাগরিক। পাশাপাশি চীনের ব্যক্তি পর্যায়ের পুঁজি এবং সুদের লেনদেনের একটি বিশাল বাজার ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য অপ্রদশিত পুঁজি সংগ্রহের আকর্ষণীয় উৎস ছিল। এবার সেই বাজারকেই বন্ধ করে তাদের স¤পদ পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বাণিজ্যযুদ্ধের পেক্ষাপটে দেশটির এমন সিদ্ধান্ত খুবই কার্যকর। বাণিজ্য সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব থেকে এই পুঁজি চীনের মহাপ্রাচীরের মতই দেশটির অর্থনীতিকে একটি বাড়তি সুরক্ষা কবচ তৈরি করে দেবে।
মার্কিন বিশেষজ্ঞরা জানান, চীনের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এমন আকর্ষণীয় বাজার ধরতে দেশটিতে নতুন বিনিয়োগ নিয়ে আসবে বিদেশি সংস্থাগুলো। ফলে, স¤পদ ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সুরক্ষিত হবে। এমন বাণিজ্যিক পরিবেশে চীনের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালিভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন বাণিজ্য শুল্কের বিরদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সমর্থ হবে। সিএনবিসি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here