এই গরমে একটু ভালো থাকতে

0
29

গরমে হঠাৎ করেই দেখা দিতে পারে অসুস্থতা। হিটস্ট্রোকও আজকাল বেশ সাধারণ ঘটনা। মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রায় শরীরকে মানিয়ে সুস্থ থাকাটা তাই বেশ জরুরি।

খাবারের তালিকায় যা থাকবে

এমন সব খাবার তালিকায় রাখতে হবে যা শরীরের হাইড্রেশন লেভেল ঠিক রাখবে। তালিকায় যোগ করতে হবে বেশি শাক-সবজি বা ফল। সবজি ও ফল মানেই পানি। বেশি পানি পাওয়া যাবে লাউ, পেঁপে, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, কাকরোল, পটল জাতীয় সবজিতে। ফলের মধ্যে বেশি খেতে হবে বাঙ্গি, তরমুজ, আনারস, লিচু, জামরুল।

তীব্র গরমে সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। তাই প্রতিদিন অন্তত একটি করে সাইট্রাস ফল যেমন লেবু, মালটা, কমলা, আমড়া, জাম্বুরা খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি ক্লান্তি দূর করবে। শরীরে শক্তি যোগাবে।

কোল্ড ড্রিংকসে একেবারে না বলে দিন। ওটার বাজেটে একটা ডাব খেতেই পারেন। সঙ্গে পাবেন ডাবের উপাদেয় শাঁস। পানিশূন্যতা রোধে এবং ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্সে ডাবের পানির চেয়ে ভালো কিছু হতেই পারে না। তবে যাদের শরীরে সোডিয়াম বা পটাসিয়াম বেশি থাকে তারা ডাবের পানি খাবেন পরিমিত মাত্রায়।

আপাতত এসব দূরে থাক

গরমে ডিহাইড্রেশনের অন্যতম কারণ ডাই-ইউরেটিক জাতীয় খাবার অতিমাত্রায় গ্রহণ করা। কারণ এ জাতীয় খাবার শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। যেমন- চা কিংবা কফি। গরমে এগুলো পান করা কমিয়ে দিন। পরিবর্তে  ঘরে বানানো চিনি ছাড়া লাচ্ছি বা ফলের শরবত খান।

ভাজা-পোড়া, জাঙ্ক ফুডের কথাও ভুলে যান। এ জাতীয় খাবার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়াও এগুলোতে একটু বেশিই ক্যালরি থাকে। গরমে ওজন বাড়ানোর কী দরকার! এ ছাড়া সোডিয়াম ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে বলে পরিপাকতন্ত্রেও চাপ ফেলে এগুলো।

মেনে চলা জরুরি

  • সকাল ১১ থেকে দুপুর ৩টা; এ সময়ে সরাসরি সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলুন। বাইরে গেলে অবশ্যই ছাতা এবং সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
  • সরাসরি ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করবেন না। একান্তই ইচ্ছে করলে ২০ ভাগ ঠান্ডা পানির সঙ্গে ৮০ ভাগ স্বাভাবিক পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।
  • সাধারণ ব্যয়ামের রুটিনে পরিবর্তন আনুন। ভারী ব্যায়মের দরকার নেই এই সময়।
  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম থেকে সরাসরি সূর্যের প্রখর তাপে যাবেন না। বাইরে যাওয়ার আগে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
  • সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here