ভূমধ্যসাগরে ইউরোপগামী ১৫ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

0
33

অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ১৫ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে তারা ইউরোপে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় আরও ১৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, দুটি নৌকায় লিবিয়ায় ফেরার পথে জীবিতদের পাশাপাশি মৃতদের উদ্ধার করা হয়।

অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকা। এতেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ইউএনএইচসিআর কিছু জানায়নি।

সম্প্রতি ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন স্থান অভিমুখে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ভিড় বেড়েছে। লিবিয়া, তিউনিসিয়া ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে অবৈধপথে ইউরোপে পৌঁছাতে ছোট ছোট নৌকায় করে অভিবাসীরা বিপজ্জনকভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে। এর ফলে বেড়েছে সাগরে ডুবে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যুর সংখ্যাও। ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টায় সাগরে ডুবে অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীদের মৃত্যুর সংখ্যা চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। গত জুলাই মাসের মাঝামাঝিতে নতুন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

আইওএম জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অভিবাসনপ্রত্যাশী কমপক্ষে এক হাজার ১৪৬ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে যেতে চেষ্টা করা মানুষের সংখ্যা।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিবিয়ার কোস্টগার্ড সেপ্টেম্বর মাসে ২৩ হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীকে অবৈধপথে সমুদ্র পাড়ি দেওয়া ঠেকিয়ে দিয়েছে। তবে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীরা লিবিয়ায় নিরাপদে নেই। দেশটিতে নির্যাতন, কারাবরণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন তারা। লিবিয়ায় গত সপ্তাহে অভিবাসীবিরোধী অভিযানে পাঁচ হাজারের বেশি শরণার্থী ও অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত শুক্রবার একটি কারাগারে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে কমপক্ষে ছয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়। কারাগারে বন্দিদের অতিরিক্ত চাপে বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। এ সময় অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন বলেও জানিয়েছে আইওএম। সূত্র : আরটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here