রাঙামাটিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মী নিহত

0
256

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় রামসুপারী পাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের দুই কর্মী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন শ্যামল চাকমা ওরফে সুমন্ত এবং আকর্ষণ চাকমা।

পুলিশ জানায়, রামসুপারিছড়া গ্রামের সাংগঠনিক কাজ শেষে সুমতি চাকমার বাড়িতে ইউপিডিএফ কর্মী আকর্ষণ চাকমা ও শ্যামল কান্তি চাকমা ওরফে সুমন্ত চাকমা ঘুমাচ্ছিলেন। তারা নিজেদের ঘরে থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে ১৫ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্ত এসে সুমতি চাকমার বাড়ি ঘেরাও করে। একপর্যায়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলে আকর্ষণ চাকমা ও শ্যামল কান্তি চাকমার মৃত্যু হয়।

এদের নিজেদের কর্মী হিসেবে দাবী করেছে ইউপিডিএফ। আর এ ঘটনার জন্য তারা গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফকে দায়ী করছে।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে জনসংহতি সমিতির রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রগতি চাকমা বলেন, ‘ইউপিডিএফের দুই কর্মী হত্যার সঙ্গে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের দায়ী করা হচ্ছে। তাঁদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে’।

অনেক দিন বন্ধ থাকার পর রাঙামাটিতে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর হতে এমন সংঘাত শুরু হয়। গত নয় মাসে এই সংঘাতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮ জনে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা, ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের সভাপতি ও ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় কমিটির মিঠুন চাকমা রয়েছেন। ১৮ আগস্ট খাগড়াছড়ির স্বনির্ভর বাজারে এলোপাতাড়ি ব্রাশফায়ারে ছয়জন মারা যান। সবশেষ ২২ আগস্ট রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা বঙ্গলতলী ইউনিয়নের উত্তর বঙ্গলতলী গ্রামের জনসংহতি সমিতির কর্মী মিশন চাকমাকে হত্যা করা হয়। – ডিবিসি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here