শেখ হাসিনার কারামুক্তি: শুরু হয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা (ভিডিও)

0
41

ওয়ান ইলেভেনের অন্ধকার সময়, গণতন্ত্র অবরুদ্ধ। আন্দোলনের মুখে ২০০৮ সালের ১১ জুন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় ফখরুদ্দিনের অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের পথে হাঁটতে হয় সরকারকে। শুরু হয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা। বঙ্গবন্ধুকন্যার কারামুক্তির দিনটি অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার দিন। 

১৪ বছর আগে, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নামে  ক্ষমতায় থাকা অসাংবিধানিক সরকার। ঘরবন্দী হয়ে পড়ে রাজনীতি। রাজনীতিকদের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। শুরু হয় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার গণমুখী রাজনীতি ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র। 

এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে ধানমণ্ডির সুধাসদন থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুলিশ। গ্রেফতার করে প্রথমে তাঁকে ঢাকা মহানগর আদালতে নেয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্ত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে আটক রাখা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। 

শেখ হাসিনার কারাগারে আটকে রাখার ষড়যন্ত্র মেনে নেয়নি দেশবাসী। নির্যাতনে দমনের অপচেষ্টায় কাজ হয়নি। জোরালো হতে থাকে শেখ হাসিনার মুক্তির দাবি। এক পর্যায়ে কারা অভ্যন্তরে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধুকন্যা। 

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে নতুন মাত্রা পায় আন্দোলন। সে আন্দোলনে ভীত হয়ে ১১ মাস পর ২০০৮ সালের ১১ জুন শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় সেনা সমর্থিত সরকার। 

এ বিষয়ে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর পক্ষে যে গণজোয়ার গড়ে উঠেছিল তাঁর ফলেই তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল এক এগারোর অবৈধ সরকার। কেননা, সংবিধানে এই রকম সরকারের কোনও ধারা নেই।

শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্যদিয়ে কার্যত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আবরণে থাকা স্বৈরশাসকদের পতনের সুর বেজে ওঠে। নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় তারা। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় লাভ করে। শুরু হয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা। সূত্র : একুশে টেলিভিশন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here