শ্বশুরবাড়িতে ভালো থাকার কৌশল জানুন

0
195

নিজের বাড়ি ছেড়ে প্রত্যেক মেয়েকে স্বামীর বাড়ি থাকতে হয়। আর এটাই একটা মেয়ের জীবনে অবধারিত সত্য। আর তাই শ্বশুরবাড়ি নিয়ে অনেকের দুশ্চিন্তারও শেষ থাকে না। তবে শ্বশুরবাড়িতে যদি নিজেকে সহজে মানিয়ে নেওয়া যায় তাহলে শ্বশুরবাড়িও হতে পারে বাবার বাড়ির মতই সুখের ঠিকানা। কখনও কখনও বাবার বাড়ির চেয়েও আপন ওঠে শ্বশুর বাড়ি। আর তারজন্য ছোটখাটো কিছু ব্যাপারে নজর রেখে সে মোতাবেক চললে হয়তো সংসারটা হবে অনেক সুখের। জেনে নিন সেই খুঁটিনাটি বিষয়গুলো। আর এসব খুঁটিনাটি জানা এবং সে মোতাবেক চলা সেখানটাতে ভালো থাকার কৌশলই বলা চলে
শ্বশুরবাড়ির সবার সম্পর্কে জানুন: শ্বশুরবাড়ির সব মানুষ কখনই একরকম হবে না। তাই স্বামীর কাছ থেকে সবার বিষয়ে জেনে নিতে পারেন। এতে আপনার জন্য তাদের সঙ্গে মানিয়ে চলা সহজ হবে। আজীবন কাজে আসবে তথ্যগুলো।

আলাদা নিয়ম: সব বাড়ির নিয়ম কিন্তু এক হয় না। তাই শ্বশুরবাড়ির নিয়মগুলো ভালোভাবে জেনে নিন। যতক্ষণ সবার সঙ্গে আছেন, চেষ্টা করুন নিয়ম মেনে চলতে।

স্বামীর সহযোগিতা: পরিবারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে স্বামীর সহযোগিতা নিতে পারেন। কী দেবেন আর কীভাবে, উৎসব-অনুষ্ঠানে কী হবে, কোন ব্যাপারগুলোতে স্বামীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিন।

আর্থিক লেনদেন: শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়ের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করবেন না। উপহার দেয়া বা সাহায্য করা এক ব্যাপার, কিন্তু ধার-দেনার মধ্যে একেবারেই যাবেন না।

বড়দের সম্মান ও ছোটদের জন্য স্নেহ: বয়সে বড় সবার জন্যই সম্মান ও ছোটদের স্নেহ বরাদ্দ রাখুন। হয়তো মনে মনে আপনি মানুষটিকে পছন্দ করেন না। কিন্তু যেহেতু তারা আত্মীয়, সম্মান ও স্নেহ তাদের প্রাপ্য। শ্বশুর-শাশুড়ি: শ্বশুর-শাশুড়ি যেমন পছন্দ করেন, আপনি তেমন নন। কিন্তু তাই বলে নিজেকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী করার চেষ্টা করে লাভ নেই। আপনি যেমন আছেন, সেভাবেই তাদের মন জয় করার চেষ্টা করুন।

শান্ত থাকুন: শ্বশুরবাড়িতে যে কোনো পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। শ্বশুরবাড়ির সব কিছু বা সবাইকে আপনার ভালো লাগবে, এমনটি ভাবা অনুচিত। নিজেকে শান্ত রাখতে শিখুন। নতুন সব কিছুতেই খারাপ মনে না করে কিছু দিন চেষ্টা করেই দেখুন না ভালো লাগে কিনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here